
তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক : স্মার্টফোন ব্যবহারের সময় একাধিক ভুল করে থাকি আমরা, যা সময় থাকতে না শোধরালে বিপদ। ডেকে আনতে পারে বড় অঙ্কের খরচ। তা ছাড়া স্মার্টফোন অচল হয়ে পড়লে পুরো দুনিয়াটাই যেন অন্ধকার হয়ে যায়। সিনেমা, সোশ্যাল মিডিয়া তো দূর কারো খোঁজটুকুও নেয়া যায় না। তাই স্মার্টফোন ব্যবহারে এই ভুলগুলো একদম করবেন না।
একটি কমন ভুল, যা স্মার্টফোনের সঙ্গে প্রায় সবাই করেছেন। বর্তমানে একাধিক ফোনে ব্যাটারি হেলথ নিয়ন্ত্রণ করার প্রযুক্তি থাকলেও এই অভ্যাস একদমই ভালো নয়। কারণ, সারা রাত চার্জিংয়ের ফলে ফোনের ব্যাটারি হিট হয়ে যেতে পারে। আগে বহু ঘটনা ঘটেছে, যেখানে সারা রাত চার্জিংয়ের ফলে বোমার মতো ফেটে গিয়েছে স্মার্টফোন। তা ছাড়া এই অভ্যাস চলতে থাকলে ফোনের ব্যাটারি বেশিদিন টেকে না।
অনেকেই শার্টের বুক-পকেটে স্মার্টফোন রাখেন। চিকিৎসকরা শার্টের বুক-পকেটে স্মার্টফোন না রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন মোবাইল ইউজারদের। মূলত মোবাইল থেকে নির্গত রশ্মি মানুষের শরীরে প্রবেশ করে স্বাস্থ্যগত সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
প্লে স্টোর থেকে নতুন অ্যাপ ইনস্টল করার পর সেটি বেশ কিছু জিনিসের অ্যাক্সেস চায় আপনার থেকে। কিছু হয় প্রয়োজনীয়, যা ওই অ্যাপ অপারেট করার জন্য দরকার, আবার কিছু থাকে অবাঞ্ছিত। আর এখানেই ভুল করেন অধিকাংশ মানুষ। পারমিশনের নামে আপনার ফোনে থাকা বিভিন্ন ব্যক্তিগত ফাইলের অ্যাক্সেস পেয়ে যায় তারা। তাই নতুন অ্যাপ ইনস্টল করার আগে যাচাই করুন তারা কী কী পারমিশন চাইছে।
নতুন স্মার্টফোন কেনার পর অনেকেই আছেন যারা আপডেট বছরের পর বছর এড়িয়ে যান। মনে রাখতে হবে, এই সফটওয়্যার আপডেটে এমন কিছু বৈশিষ্ট্য দেয়া থাকে, যা আপনার ফোনে ম্যালওয়্যার ভাইরাস প্রবেশ করতে বাধা দেয়। পাশাপাশি পাওয়া যায় একগুচ্ছ নতুন ফিচার, যা আপনার স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আরও ভালো করে। স্মার্টফোন হ্যাং হয়ে যাওয়াও বন্ধ হয়।
অনেকে জেনেও এই ভুল করে থাকেন। অন্যের চার্জারে নিজের স্মার্টফোন চার্জ দিলে ক্ষতি হতে পারে ব্যাটারি। চোখে না পড়লেও ভেতর ভেতর বিকল হয়ে যায় ফোনের হৃৎপিণ্ড। বর্তমানে অধিকাংশ ফোনে ইউএসবি টাইপ-সি চার্জিং পোর্ট ব্যবহার করা হয়। তা সত্ত্বেও অন্য প্রযুক্তির চার্জার দিয়ে চার্জ করার প্রবণতা লক্ষ করা যায়। স্মার্টফোনের আয়ু কমে যেতে পারে এর ফলে।
সারা দিনে কত ছবি, ফাইল জমা হয় স্মার্টফোনে। সেগুলো আর অনন্তকাল ধরে স্মার্টফোনে সেভ থাকে না। তাই ফাইল ব্যাকআপ করার অপশন দেয়া হয়। অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস দুই অপারেটিং সিস্টেমেই এ সুবিধা পাওয়া যায়। গুরুত্বপূর্ণ ছবি, ফাইল সেভ করে রাখার জন্য সেগুলো নির্দিষ্ট সময় অন্তর ব্যাকআপ করে রাখা উচিত।
পাবলিক ওয়াইফাই পেলেই হুড়মুড়িয়ে শুরু হয় ইন্টারনেট ব্যবহার। কিন্তু এখানেও লুকিয়ে থাকে বিপদ। বেশকিছু পাবলিক ওয়াইফাই-এ ম্যালওয়্যার থাকতে পারে, যা আপনার ফোনে ইনস্টল ঢুকে গুপ্তচরবৃত্তি করতে পারে, আপনার ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করতে পারে। ব্যবহারকারী বুঝতে না পারলেও তার অগোচরেই ঘটে যায় দুর্ঘটনা। তাই পাবলিক ওয়াইফাই ব্যবহারের সময় সাবধান থাকুন।
কিউটিভি/আয়শা/০৯ এপ্রিল ২০২৩,/রাত ১০:৪৭






