ডেঙ্গু প্রতিরোধে সারা বছর কার্যক্রম চলবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

Ayesha Siddika | আপডেট: ০৯ এপ্রিল ২০২৩ - ০৭:৫০:৪৪ পিএম

ডেস্ক নিউজ : রোববার (৯ এপ্রিল) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সারা দেশে মশাবাহিত রোগপ্রতিরোধে প্রথম আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় তিনি এ তথ্য জানান। সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ফজলে নূর তাপস, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী ও স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মুহম্মদ ইবরাহিম উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি তুলে ধরে তাজুল ইসলাম বলেন, চলতি জানুয়ারি থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশে ৮৭৫ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

আর জানুয়ারি থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ফিলিপিন্সে ১৯ হাজার ৪০৪ জন, জানুয়ারি থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভিয়েতনামে ১৫ হাজার ১২৯ জন, জানুয়ারি থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কায় ১৪ হাজার ৯৮৯ জন, মালয়েশিয়ায় জানুয়ারি থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১৭ হাজার ৩৮৮ জন এবং সিঙ্গাপুরে জানুয়ারি থেকে ১১ মার্চ পর্যন্ত এক হাজার ৯৬২ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন।

এ ছয়টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অনেক ভালো অবস্থানে আছে জানিয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘নিয়মিত মনিটরিংয়ের কারণে বাংলাদেশের অবস্থান ভালো। শহুরে এলাকায় এডিস মশার প্রাদুর্ভাব সবচেয়ে বেশি। যে কারণে আমাদের সিটি করপোরেশনের মেয়রদের নিয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করছি। এখান থেকে যে নির্দেশনা দেয়া হয়, তা বাস্তবায়ন করতে তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা দিচ্ছেন। যে কারণে অন্য দেশগুলোর চেয়ে আমরা তুলনামূলক ভালো আছি।’
 
গত বছর ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেশি ছিল, সেই হিসেবে চলতি বছরে ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, গতবছরও সমসাময়িক দেশগুলোর তুলনায় আমাদের অবস্থান ভালো ছিল। কিন্তু তাতে আমরা সন্তুষ্ট ছিলাম না। সে জন্য আমাদের প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি আছে কিনা; আরও কিছু করণীয় আছি কিনা; তা খতিয়ে দেখতে এ সভা করা হয়েছে।
 
এ সময়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ফজলে নূর তাপস বলেন, গত বছর যেহেতু দেখা গেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের কারণে আশ্বিন মাস এবং শীতকাল পর্যন্ত ডেঙ্গু ছড়িয়েছে। এ জন্য ডেঙ্গু প্রতিরোধে বছরব্যাপী  কর্মপরিকল্পনা করা হয়েছে।
তার কথার সঙ্গে যোগ করে তাজুল ইসলাম বলেন, আগে মৌসুমি পরিকল্পনা নেয়া হতো; কিন্তু এখন বছরজুড়ে পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে। তাপস বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রমের সময় বাড়ানো হয়েছে। আগে যেমন করা হতো আষাঢ়, শ্রাবণ ও ভাদ্র পর্যন্ত। এখন আশ্বিন মাস পর্যন্ত করা হয়েছে।
 
এ সময় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, আগে কয়েক মাস, এপ্রিল, মে, জুন ও জুলাই পর্যন্ত ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো। এখন করা হচ্ছে ডিসেম্বর পর্যন্ত। এ সময়গুলোতে পিক সিজন ও লিন সিজন ভাগ করা হয়েছে। অর্থাৎ এডিসের জন্য একটি উর্বর সময়, অন্যটি অনুর্বর মৌসুম। সেই অনুসারে পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

 

 

কিউটিভি/আয়শা/০৯ এপ্রিল ২০২৩,/সন্ধ্যা ৭:৫০

▎সর্বশেষ

ad