কলম্বিয়ায় অগ্ন্যুৎপাতের হুমকি, ক্ষতির মুখে ৫৭ হাজার মানুষ

uploader3 | আপডেট: ০৮ এপ্রিল ২০২৩ - ০৫:৫৭:৪৭ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কলম্বিয়ার তুষার আচ্ছাদিত আন্দিয়ান আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ থেকে ধোঁয়া উড়তে দেখা যাচ্ছে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের আরেকটি মারাত্মক অগ্ন্যুৎপাতের হুমকির ইঙ্গিত দিচ্ছে। মার্চের শেষ দিক থেকে আগ্নেয়গিরিটির দৈনিক কম্পনের সংখ্যা ৫০ থেকে ১২ হাজারে উন্নীত হলে সেখানে অগ্নুৎপাতের হুমকি দেখা দেয়। অগ্নুৎপাত ঘটলে আশপাশের ৫৭ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সরকারের জরুরি আহ্বান সত্ত্বেও কলম্বিয়ান আন্দিজের (আন্দেজ পর্বতমালার কলম্বিয়া অংশে) নেভাডো দেল রইজ আগ্নেয়গিরির পাদদেশে হাজার হাজার গ্রামবাসীকে তাদের ফসলের যত্ন নিতে এবং পশু পালনে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়। এর মধ্যেই সতর্কতার মাত্রা হলুদ থেকে কমলা পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার।

পাশাপাশি আগ্নেয়গিরির পাদদেশে বসবাসকারী সাড়ে সাত হাজার মানুষকে অন্যত্র সরে যেতে বলেছে। তবে বসবাসকারীদের অনেকই এলাকা ছেড়ে যেতে রাজি নয়।

প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা লুইস ফার্নান্দো ভেলাস্কো বলেন, ৫৭ হাজারের বেশি লোক এমন সব এলাকায় বাস করে যেগুলো অগ্নুৎপাতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তবে গ্রামবাসীদের কাছে গরু, ঘোড়া, ভেড়া, ছাগল এবং হাঁস-মুরগি থাকায় তারা সেগুলো চুরি যাওয়ার ভয়ে প্রতিরোধমূলক উচ্ছেদে রাজি নয়। সরকার বলেছে, আশপাশে ৮০ হাজার প্রাণীকে সরানোর ব্যতিক্রমী ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

১৯৮৫ সালে এই অঞ্চলে নেভাডো দেল রইজের একটি ভয়াবহ অগ্নুৎপাত ধ্বংসযজ্ঞ সৃষ্টি করেছিল। ওই অগ্নুৎপাতে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আগ্নেয়গিরির তুষারের আচ্ছাদনের কিছু অংশ গলে যায় এবং কাদা, ছাই এবং পাথরের প্রচণ্ড প্রবাহ পাহাড়ের ধারে প্রবাহিত হয়ে আরমেরো শহরকে ঢেকে দেয়। এ ঘটনায় ২৫ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে। এটি ছিল দেশটির স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ। কর্তৃপক্ষ সে ধরনের আরেকটি ভয়াবহ অগ্নুৎপাত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে।

সূত্র : এএফপি, বাসস

কিউটিভি/অনিমা/০৮ এপ্রিল ২০২৩,/বিকাল ৫:৫৭

▎সর্বশেষ

ad