
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তির বিষয়ে আলোচনার জন্য বৃহস্পতিবার (০৬ এপ্রিল) তুরস্কে পৌঁছেছেন। ওই চুক্তি কৃষ্ণ সাগরে একটি নিরাপদ করিডোরের মাধ্যমে ইউক্রেনের বন্দর নগরী থেকে খাদ্যশস্য রপ্তানির অনুমতি দেয়। তুরস্কের এক কর্মকর্তা এ কথা জানিয়েছেন।
রাজধানী আঙ্কারায় ইফতারের সময় ল্যাভরভ তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলুর সাথে সাক্ষাৎ করেন। খবরে বলা হয়, তুরস্কে কাভুসোগলুর সাথে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ল্যাভরভের বক্তব্য দেওয়ার এবং প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ানের সাথে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে।
এদিকে শান্তি আলোচনা ফের শুরু করতে রাশিয়া ও ইউক্রেনকে চাপ দিচ্ছে ন্যাটোর সদস্য দেশ তুরস্ক। কৃষ্ণ সাগরের প্রতিবেশী এ দুটি দেশের সাথে তুরস্কের ভালো সম্পর্ক রয়েছে। এ সফরের প্রাক্কালে দেওয়া এক বিবৃতিতে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির জটিলতা সত্ত্বেও প্রাথমিকভাবে রাশিয়া ও তুরস্কের রাষ্ট্রপ্রধানের পর্যায়ে তাদের রাজনৈতিক সংলাপ অব্যাহত রয়েছে।’
ল্যাভরভ তুরস্কের কর্মকর্তাদের সাথে খাদ্যশস্য রপ্তানি চুক্তি নিয়েও আলোচনা করবেন। ‘শুভেচ্ছার ইঙ্গিত হিসেবে আরো ৬০ দিনের জন্য’ এ চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল বলে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়। খবর বাসসের।
গত জুনে সর্বশেষ তুরস্ক সফর করেন ল্যাভরভ। তুরস্ক মূল চুক্তি মেনে ১২০ দিনের মেয়াদ বাড়ানোর চাপ দিয়েছে। ইউক্রেন বিশ্বের শীর্ষ শস্য উৎপাদনকারী দেশগুলোর একটি। ২০২২ সালের জুলাইয়ে আঙ্কারা এবং জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় ২৫ মিলিয়ন টনেরও বেশি শস্য রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও রাশিয়ার খাদ্য ও সার রপ্তানির দ্বিতীয় চুক্তির বাস্তবায়ন চায় মস্কো।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তারা মাঝেমধ্যেই টেলিফোনে কথা বলেন বা মুখোমুখি বৈঠক করে থাকেন। গত বছর এ দুই নেতা সোচি, তেহরান, সমরকান্দ ও আস্তানায় চারবার বৈঠক করেন।
কিউটিভি/অনিমা/০৭ এপ্রিল ২০২৩,/রাত ৮:২৯






