আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারে বিশৃঙ্খলার জন্য ট্রাম্প দায়ী: হোয়াইট হাউজ

Ayesha Siddika | আপডেট: ০৭ এপ্রিল ২০২৩ - ০৮:২৯:০৬ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ট্রাম্পের সেনা সরিয়ে নেয়াকে সঠিক সিদ্ধান্ত হলেও আগে বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপদে স্থানান্তর উচিৎ ছিল। হোয়াইট হাউজের এই প্রতিবদনে ‘মিথ্যাচার করা হয়েছে’ বলে সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প। ২০০১ সালে নাইন ইলেভেন হামলার পর ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’র নামে আফগানিস্তানে সেনা অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। সঙ্গে যোগ দেয় পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো। ওই অভিযানে পতন হয় তালেবান সরকারের। ২০ বছর ধরে চলে আফগান যুদ্ধ।

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘ যুদ্ধের অবসান হয় ২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি কাতারের দোহায় তৎকালীন মার্কিন প্রশাসন ও তালেবানের মধ্যকার শান্তি চুক্তির মাধ্যমে। কিন্তু সেনা প্রত্যাহারের সময়সীমার কয়েক সপ্তাহ আগেই আফগানিস্তানের বড় অংশের দখল নেয় তালেবান। ২০২১ সালের ১৫ আগস্ট তালেবানের কাছে পতন ঘটে রাজধানী কাবুলের। 

এমন পরিস্থিতির মধ্যে তড়িঘড়ি করে সেনা প্রত্যাহার শুরু করে বাইডেন প্রশাসন। ফলে নজিরবিহীন বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।  তড়িঘড়ি ১ লাখ ২০ হাজার মানুষকে নিরাপদে সরাতেও হিমশিম খেতে হয় মার্কিন সেনাদের। সামরিক বাহিনী প্রত্যাহারের শেষ কয়েক দিনে বিভিন্ন স্থানে হামলার ঘটনাও ঘটে। এতে ১৩ মার্কিন সেনা ও প্রায় ২শ আফগান নিহত হন।

দ্য গার্ডিয়ান জানায়, আফগানিস্তান থেকে তড়িঘড়ি সেনা প্রত্যাহারের জন্য সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে দায়ী করেছে বাইডেন প্রশাসন। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে হোয়াইট হাউজ। হোয়াইট হাউজের এমন প্রতিবদনের তীব্র নিন্দা জানান ডোনাল্ড ট্রাম্প।

নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, বাইডেন প্রশাসন আফগানিস্তানে আত্মসমর্পণ করেছে। হোয়াইট হাউজ তাকে নিয়ে মিথ্যাচার করছে বলেও দাবি করেন সাবেক এ মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ট্রাম্পের মতো বাইডেনও আফগান যুদ্ধ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু তার প্রশাসন আফগান সামরিক শক্তির সক্ষমতার হিসাবে ভুল করেছিলো বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। 

 

 

কিউটিভি/আয়শা/০৭ এপ্রিল ২০২৩,/রাত ৮:২৮

▎সর্বশেষ

ad