
ডেস্ক নিউজ : বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল হক এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, গরমের অনুভূতি মানুষভেদে ভিন্ন ভিন্ন হয়। তবে ঢাকায় আজ যে রোদের আঁচ তাতে অনেকের ক্ষেত্রেই চামড়ায় জ্বালাপোড়া হতে পারে। যদিও তাপমাত্রা এখনও ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী ১০ থেকে ১২ দিনেও বৃষ্টি হওয়ার পরিস্থিতি নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ঝড় বা বৃষ্টি হলে তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসতো। তবে আপাতত বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। বরং ক্রমাগত তাপমাত্রা বাড়তে পারে এবং তীব্র গরমে রূপ নিতে পারে।
শাহীনুল হক বলেন, তবে তাপপ্রবাহ শেষে ঢাকায় ঝড়-বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আছে এবং তারপর তাপপ্রবাহ কিছুটা কমে আসবে। যদিও তার জন্য ঢাকাবাসী প্রায় দুই সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে বছরের এই সময়টাতে সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে সূর্যের তাপও বেশি অনুভূত হয় বলে জানান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল হাসান। তিনি বলেন, কখনও কখনও তাপ এতটাই তীব্র হয় যে, রোদে গেলে চামড়ায় জ্বালাপোড়া পর্যন্ত হয়।
ড. মনজুরুল হাসান বলেন, তাছাড়া এ সময়ে দিনের দৈর্ঘ্য বেশি হওয়ার কারণে দীর্ঘ সময় সূর্যকিরণ পাওয়া যায়। ফলে দিন ও রাতের সার্বিক তাপমাত্রাও বাড়ে। একমাত্র বায়ু প্রবাহ, ঝড়-বৃষ্টি এই পরিস্থিতি থেকে কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে। মার্চ, এপ্রিল, মে মাসে অতিরিক্ত দাবদাহের সঙ্গে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড় ও টর্নেডোর একটা সম্পর্ক আছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, টানা দাবদাহ একটি দুর্যোগ। আবার এটি ঘূর্ণিঝড়, টর্নেডোর মতো আরও একটি দুর্যোগের ইঙ্গিত দেয়।
এদিকে, শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে রাজশাহী, পাবনা, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, তা অব্যাহত থাকতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। পাশাপাশি রাজশাহী, পাবনা, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, তা অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আগামী ৭২ ঘণ্টায় এ তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায় ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে, আগের দিন বুধবার দেশের মাত্র চারটি এলাকায় বৃষ্টিপাত হয়েছে। এরমধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে শ্রীমঙ্গলে ১৭ মিলিমিটার।
কিউটিভি/আয়শা/০৬ এপ্রিল ২০২৩,/বিকাল ৪:৩৮






