
ডেস্ক নিউজ : রোববার (৫ মার্চ) টিসিবির চেয়ারম্যান সময় সংবাদকে জানান, নিত্যপণ্যের বাজার চাহিদা মেটাতে যখন ক্রেতাদের বেশ হিসাব কষে চলতে হচ্ছে, তখন রমজান উপলক্ষে আগামী ৯ মার্চ থেকে প্রথম পর্বের বিক্রি শুরু করবে সংস্থাটি, যা চলবে ৩০ মার্চ পর্যন্ত। এই পর্বে ১১০ টাকা লিটার হিসাবে ২ লিটার সয়াবিন তেল, ৭০ টাকা কেজি দরে ২ কেজি মসুর ডাল, ৬০ টাকায় ১ কেজি চিনি ও ৫০ টাকায় ১ কেজি ছোলা কিনতে পারবেন ফ্যামিলি কার্ডধারীরা। তবে ঢাকার ভেতরে ১০০ টাকা কেজি দরে ১ কেজি খেজুরও বিক্রি করবে সংস্থাটি। কিন্তু দ্বিতীয় পর্বে শুধু তেল, চিনি ও ডাল বিক্রি করা হবে। এই পর্বের বিক্রি শুরু হবে ১ এপ্রিল থেকে, যা শেষ হবে ১৫ এপ্রিল।
টিসিবির দৈনিক বাজারমূল্য পর্যবেক্ষণের তথ্য বলছে, বর্তমানে রাজধানীর বাজারে প্রতিকেজি ছোলা বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকায়। এক কেজি মসুর ডালের (মাঝারি দানা) দাম ১১০ থেকে ১১৫ টাকা, এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল কেনাবেচা হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকায়, চিনির (প্যাকেটজাত) কেজি পড়ছে ১১৫ থেকে ১২০ টাকা। এ ছাড়া সাধারণ মানের প্রতিকেজি খেজুরের দাম পড়ছে ১৫০ থেকে ৪৫০ টাকা। টিসিবির নিয়মিত বিক্রি কার্যক্রমের পর্যালোচনা বলছে, সংস্থাটি প্রতিমাসেই ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রি করে থাকে। সেই ধারাবাহিকতাতেই প্রশ্ন উঠছে: সত্যিই কি আসন্ন রমজানে দুবার করে পণ্য পাচ্ছেন ভোক্তারা?
এমন প্রশ্নের কারণ, মার্চ ও এপ্রিলজুড়ে পড়েছে এবারের রমজান। তাই মার্চের স্বাভাবিক বিক্রির সঙ্গে এপ্রিলের স্বাভাবিক বিক্রি মিলে রমজানে দুবার পণ্য কেনার সুযোগ পাচ্ছেন ক্রেতারা। রমজান উপলক্ষে বিশেষ আয়োজনের মধ্যে দেখা যাচ্ছে প্রথম পর্বের বিক্রি কার্যক্রমে বাড়তি হিসেবে শুধু দেশব্যাপী ছোলা ও ঢাকার ভেতরে খেজুর বিক্রি করবে টিসিবি। অথচ এমন বড় প্রস্তুতি নিতে গিয়ে ফেব্রুয়ারিতে পণ্যই বিক্রি করেনি সংস্থাটি।
কিউটিভি/আয়শা/০৭ মার্চ ২০২৩,/বিকাল ৪:৪০






