
ডেস্ক নিউজ : ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো রেকর্ডগড়া বেতনে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছেন। এবার বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসিকেও পেতে চায় দেশটির ক্লাব আল হিলাল। পর্তুগিজ তারকাকে নেওয়ার পর থেকেই চলছে আলোচনা। বিশ্বকাপের দূত বানাতেই এই লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য আরও পাকাপোক্ত করতে মেসিকেও সেখানে নিতে চায় আরবের দেশটি। মূলত ২০৩০ বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ হতেই এমন উদ্যোগ বলে দাবি স্প্যানিশ গণমাধ্যমের।
মুন্দো দেপোর্তিভো তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মিসর ও গ্রিসের সঙ্গে যৌথভাবে ২০৩০ বিশ্বকাপের আয়োজক হতে বিশ্বের সামনে নিজেদের ইমেজ বাড়ানোর চেষ্টা করছে সৌদি আরব। ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব পেতে ফুটবলই হতে পারে সবচেয়ে বড় বাহন। নিজেদের ঘরোয়া লিগ দিয়ে বিশ্বের নজর কাড়তে বড় তারকা লাগবে। রোনালদোকে পাওয়ার পর মেসিকেও পেলে এর চেয়ে ভালো আর কী হতে পারে! এ জন্য যত টাকা লাগে লাগুক—এমন একটা চিন্তাই কাজ করছে। সৌদি আরবের ঘরোয়া লিগের ক্লাব আল নাসরে পারিশ্রমিক ও অন্য সবকিছু মিলিয়ে রোনালদো বছরে প্রায় ২১ কোটি ডলার আয় করবেন। ফুটবলের ইতিহাসে এটাই সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক।
আল হিলাল মেসিকে যে পারিশ্রমিক দিয়ে উড়িয়ে আনতে চায় বলে খবর, ৩০ কোটি ডলারের সেই অঙ্কটা তাই অস্বাভাবিক বলে না–ও মনে হতে পারে। কারণ, আল হিলাল হলো আল নাসরের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী, এদিকে রোনালদোও মেসির চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী-রোনালদো যে লিগে খেলবেন, সেখানে মেসিকে উড়িয়ে আনতে পর্তুগিজ তারকার চেয়েও বেশি বেতন ও ভাতা দেওয়ার প্রস্তাবটা তাই অবাস্তব বলে মনে হয় না। বিশেষ করে মুন্দো দেপোর্তিভোর খবর অনুযায়ী, মেসিকে আনতে যেখানে সৌদি সরকারও বিনিয়োগ করবে।
আরব দেশগুলোর মধ্যে সৌদির ঘরোয়া লিগ সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও বেশ ভালো। আল হিলাল ও আল নাসরের মধ্যকার ম্যাচ হলো সৌদি আরবের ‘এল ক্লাসিকো’, যেটিকে সৌদি আরবে ‘রিয়াদ ডার্বি’ বলা হয়। বিশ্বের নজর কাড়তে ‘রিয়াদ ডার্বি’ রোনালদো বনাম মেসি হয়ে গেলে আর কী লাগে!
মেসির সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্কও বেশ ভালো। আর্জেন্টাইন তারকা এখন সৌদির পর্যটন দূত। সৌদি আরবের বিশ্বকাপ আয়োজক হওয়ার স্বপ্ন সফল করতে মেসিকে কাজে লাগানোর কথা তো শোনা যাচ্ছে অনেক দিন ধরেই। সেটি মেসি সৌদি আরবে খেলতে খেলতেই করেন কি না, এটাই এখন কৌতূহলের বিষয়।
কিউটিভি/আয়শা/১২ জানুয়ারী ২০২৩/রাত ৮:০৮






