ব্রেকিং নিউজ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে কোরবানি হচ্ছে না ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ বাংলাদেশিদের জেলে পাঠাতে হবে না, সোজা বিএসএফের হাতে তুলে দেবে -শুভেন্দু হামের উপসর্গে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু যমুনা সেতুতে ফের যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে ঘরমুখো মানুষ যুক্তরাষ্ট্র ইরানের খসড়া চুক্তি : হরমুজ প্রণালীতে নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়ার প্রস্তাব পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণে যমুনার পানি বৃদ্ধি দাউদাউ করে জ্বলছে লন্ডনের ইহুদি সুপারমার্কেট, এলাকায় আতঙ্ক সৌদির সঙ্গে মিল রেখে চট্টগ্রামের শতাধিক গ্রামে ঈদ উদযাপন চামড়ার নায্যমূল্য নিশ্চিতে যেসব পদক্ষেপের কথা জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর হোক ঈদুল আজহা: প্রধানমন্ত্রী

রাসুল (সা.)-কে নিজ সন্তান উপহার দেন যিনি

Ayesha Siddika | আপডেট: ১১ জানুয়ারী ২০২৩ - ০৪:৩৮:১৪ পিএম

ডেস্ক নিউজ : উম্মে সুলাইম বিনতে মিলহান (রা.) ছিলেন সাহাবি আনাস বিন মালিক (রা.)-এর মা। তিনি তাঁর জীবন, সন্তান ও পরিবার সব কিছু আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের সেবায় নিয়োজিত করেন। তাঁর প্রথম স্বামী মালিক বিন নজর উম্মে সুলাইম ইসলাম গ্রহণে অসন্তুষ্ট হয়ে শামে চলে যান। আর কখনো ফিরে আসেননি। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। প্রথম স্বামীর ঔরসে আনাস (রা.)-এর জন্ম হয়। (আসাদুল গাবাহ : ৩৪৫/৭)

স্বামীর মৃত্যুর পর অনেকেই উম্মে সুলাইম (রা.)-কে বিয়ের প্রস্তাব দেন। আবু তালহা আনসারি তাঁদের একজন। তবে তিনি অমুসলিম হওয়ায় উম্মে সুলাইম (রা.) তাঁর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেও মানুষ হিসেবে তাঁকে পছন্দ হয়। তিনি তাঁকে ইসলাম গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘তুমি ইসলাম গ্রহণ করলে সেটাই হবে আমার মোহর। তা ছাড়া আর কিছুই আমি চাই না।’ (তাবাকাতে ইবনে সাদ : ৪২৬/৮)

উম্মে সুলাইম (রা.) ছিলেন একজন আদর্শ মা। শিশুকালে সন্তানদের তিনি ইসলাম ও ইসলামী জীবনে অনুপ্রাণিত করেন। সন্তানদের ইসলামের জন্য উৎসর্গ করেন তিনি। আনাস (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) যখন মদিনায় আসেন তখন আমার বয়স ছিল মাত্র ১০ বছর। মা আমার হাত ধরে রাসুল (সা.)-এর কাছে নিয়ে যান। মা রাসুল (সা.)-এর কাছে এসে বলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল, আনসারের সব নারী ও পুরুষ আপনাকে কোনো না কোনো কিছু হাদিয়া দিয়েছে। আপনাকে দেওয়ার মতো আমার কাছে কিছু নেই। আমার কাছে শুধু আমার ছেলে আছে। আপনি ওকে হাদিয়া হিসেবে গ্রহণ করুন, সে আপনার প্রয়োজনের সময় খেদমত করবে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২৪৮০)

রাসুল (সা.)-এর হাতে সন্তানকে সঁপে দিয়ে তিনি শুধু বিচক্ষণতার পরিচয় দেননি; বরং সৌভাগ্যের অংশীদার হয়েছেন।সাবেত (রা.) বর্ণনা করেন, ‘আমি উহুদের যুদ্ধে আয়েশা (রা.) ও উম্মে সুলাইম (রা.)-কে পিঠে করে পানির পাত্র নিয়ে যেতে দেখেছি। তারা মানুষকে পানি পান করিয়ে পাত্র খালি করত। আবার ভরে এনে পানি পান করিয়ে পাত্র খালি করত।’ সাবিত (রা.) আরো বলেন, ‘হুনাইনের যুদ্ধের দিন আবু তালহা (রা.) উম্মে সুলাইমের দিকে ইঙ্গিত করে রাসুল (সা.)-কে হাসাচ্ছিলেন। আবু তালহা বলছিলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! আপনি উম্মে সুলাইমকে আজ দেখেছন? সে আজ একটা খঞ্জর নিয়ে এসেছে। তখন রাসুল (সা.) উম্মে সুলাইমকে প্রশ্ন করলেন, ‘উম্মে সুলাইম, খঞ্জর দিয়ে কী করবে?’ মুশরিকদের কেউ আমার কাছে এলে এটা দিয়ে তাকে আঘাত করব। তাই এটা নিয়ে এলাম।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১৮০৯)

 

 

কিউটিভি/আয়শা/১১ জানুয়ারী ২০২৩/বিকাল ৪:৩৩

▎সর্বশেষ

ad