
ডেস্ক নিউজ : জিমি প্রথমবার এশিয়া কাপে খেলেন ২০০৩ সালে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের আসরে। এরপর একে একে তিনি খেলেছেন ভারতের চেন্নাই, মালয়েশিয়ার কুয়ানতান ও ইপোহতে। এশিয়া কাপ হকির দশম আসর অনুষ্ঠিত হয়েছিল ঢাকায়। ২০১৭ সালের সে আসর জিমির খেলা পঞ্চম আসর। এবার জাকার্তা আসরে প্রথম ম্যাচে মাঠে নেমেই রেকর্ডের মালিক বনে গেলেন এই স্ট্রাইকার।
জিমির বাবাও ছিলেন জাতীয় হকি দলের ফরোয়ার্ড। বাবা আব্দুর রাজ্জাক সোনা মিয়ার হাত ধরেই সূচনা জিমির হকি ক্যারিয়ারের। বাবা আব্দুর রাজ্জাকের অধীনেই প্রথম এশিয়া কাপ খেলতে যান তিনি। ২০০৩ সালের সে আসরে বাংলাদেশ দলের কোচের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ক্রীড়াক্ষেত্রে অবদানের জন্য সম্প্রতি মরণোত্তর জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার (২০১৬ সালের জন্য) পেয়েছেন আবদুর রাজ্জাক।
১৯ বছরের ক্যারিয়ারে পারফরম্যান্সের জন্য কখনো জাতীয় দল থেকে বাদ পড়েননি। ২০১৪ সালে শৃঙ্খলাজনিত কারণে এশিয়া কাপের আসরে খেলতে পারেননি। তা ছাড়া কখনোই জাতীয় দলে তার জায়গা নিয়ে প্রশ্ন ওঠেনি। সমসাময়িক সকলে অবসরে চলে গেলেও বাংলাদেশের হকিতে এখনো টিকে আছেন রাসেল মাহমুদ জিমি। তিনি মনে করেন, খেলাটার প্রতি নিবেদনের জন্যই এখনো নিজেকে ফিট রাখতে পেরেছেন তিনি।
তবে ক্যারিয়ারের শেষের শুরু হিসেবে এবারের এশিয়া কাপকেই ধরা যায়। তাই শেষবেলাটা রাঙাতে চান পারফরম্যান্স দিয়ে। ১৯৮২ সালে এশিয়া কাপ চালু হুয়ার পর থেকে কখনোই সেরা চারে থাকা হয়নি বাংলাদেশের। তেমন আশাও করেন না। তবে এবারের আসরে পঞ্চম হয়ে শেষটা রাঙাতে চান তিনি। দেশের জার্সি গায়ে চাপিয়ে আর খেলতে না পারাটা তার কাছে কষ্টের বলেই মনে হবে। তবে অবসরের সময়ে তার চাওয়া , তারচেয়েও ভালো ৭-৮ জন হকি খেলোয়াড় আসুক। তবেই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশের হকি।
কিউটিভি/আয়শা/২৪.০৫.২০২২ খ্রিস্টাব্দ/বিকাল ৫:১৮






