
স্পোর্টস ডেসন্ক : ঘরের মাঠে খেলা, প্রতিপক্ষও আহামরি কোন বড় দল নয়। শ্রীলংকার সঙ্গে টাইগারদের এমন স্লো মোশন ব্যাটিং দেখেই অনুমেয়, ড্রয়ের জন্যই খেলছেন মুমিনুল হকরা। চট্টগ্রাম টেস্টে টস জিতে আগে ব্যাট করে শ্রীলংকা। রোববার প্রথম দিনে ৯০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২৫৮ রান করে সফরকারীরা।
সোমবার দ্বিতীয় দিনে ৬৩ ওভারে ১৩৯ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারিয়ে ৩৯৭ রানে অলআউট হয় শ্রীলংকা। দলের হয়ে লংকান সাবেক অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস সর্বোচ্চ ১৯৯ রান করেন। এছাড়া দিনেশ চান্দিমাল ও কুশল মেন্ডিস ৬৬ ও ৫৪ রান করে আউট হন। বাংলাদেশ দলের হয়ে অফস্পিনার নাঈম হাসান ৬টি আর সাকিব নেন ৩ উইকেট। জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে সোমবার দ্বিতীয় দিনের শেষ বিকেলে মাহমুদুল হাসান জয়কে সঙ্গে নিয়ে ১৯ ওভারে ৭৬ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন দেশ সেরা ওপেনার তামিম ইকবাল।
মঙ্গলবার তৃতীয় দিনে ৮৮ ওভার খেলে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৪২ রান করে বাংলাদেশ। বুধবার আগের দিনের করা ৩১৮/৩ রান নিয়ে ফের ব্যাটিংয়ে নামে টাইগাররা। আগের দিনে ৫৪ রানে অপরাজিত থাকা লিটন দাস এদিন লাঞ্চের ঠিক আগে আউট হন। তার আগে ১৮৯ বল খেলে ১০টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৮৮ রান করেন। পঞ্চম উইকেটে মুশফিকের সঙ্গে লিটন গড়েন ১৬৪ রানের জুটি। লিটন আউট হওয়ার পর ফের মাঠে নামেন তামিম ইকবাল। আগের দিনে ১৩৩ রানে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফেরা তামিম এদিন ব্যাটিংয়ে নেমেই কোনো রান যোগ করার আগেই আউট হন।
চতুর্থ দিনের লাঞ্চের আগে মাত্র ২ বলের ব্যবধানে লিটন ও তামিমের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর সাকিব আল হাসানের সঙ্গে ৩৬ রানের জুটি গড়েন মুশফিক। ৪৪ বলে ২৬ রান করে ফেরেন সাকিব। সপ্তম উইকেটে নাঈম হাসানের সঙ্গে ১৮ রানের জুটি গড়ার পথেই টেস্ট ক্যারিয়ারের অষ্টম সেঞ্চুরি তুলে নেন মুশফিক। আর এই সেঞ্চুরির সুবাদে দেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ রানের মালিকট হয়ে যান জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক।
তবে সেঞ্চুরি করার পর উইকেটে বেশি সময় থিতু হতে পারেননি মুশফিক। ২৮২ বলে চারটি বাউন্ডারির সাহায্যে ১০৫ রানে আউট হন তিনি। মুশফিক আউট হওয়ার পর নাঈম হাসান, তাইজুল ইসলাম ও শরিফুলরা উইকেটে থিতু হতে পারেননি।এই তিন লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যান আসা-যাওয়ার মিছিলে অংশ নেওয়ায় শেষ পর্যন্ত ৪৬৫ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।
কিউটিভি/আয়শা/১৮.০৫.২০২২ খ্রিস্টাব্দ/বিকাল ৫:০৯






