
স্পোর্টস ডেস্ক : নাটকীয়তা শেষে মাঠে গড়ানোর অপেক্ষায় ভারত-পাকিস্তানের দ্বৈরথ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তাদের ম্যাচ হওয়া নিয়ে প্রথমে বাগড়া দিয়েছিল মাঠের বাইরের ইস্যু। কাঠখড় পুড়িয়ে সেই ম্যাচ আজ (রোববার) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। কিন্তু এবার চোখ রাঙাচ্ছে বেরসিক বৃষ্টি। পাক-ভারত হাইভোল্টেজ ম্যাচ শুরু হওয়ার সময়েই প্রবল বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে না–ও শুরু হতে পারে ম্যাচটি।
এই পূর্বাভাস মিলে গেলে, খেলা ভেস্তে যেতে পারে কিংবা খেলার নির্ধারিত সময়ের অনেকাংশ কাটা পড়তে পারে। মূলত বৃষ্টি থামার পরে মাঠ পুরোপুরি ম্যাচের জন্য প্রস্তুত হওয়ার ওপর খেলা হওয়ার বিষয়টি নির্ভর করছে। এর আগে দুপুর ১টা থেকে ৭টার মধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা ৫০-৬০ শতাংশ। অর্থাৎ, খেলা নির্ধারিত সময়ে হবে না কিংবা ম্যাচ সম্পন্ন হতে সম্ভাব্য সময়ের চেয়ে বেশি লাগতে পারে– তেমন প্রস্তুতি নিয়েই আসতে হবে সমর্থকদের। যদিও এই ম্যাচ সমর্থকদের ভেতর যথারীতি বাড়তি উন্মাদনা রয়েছে। মানুষের চাপে কলম্বোগামী বিমানের টিকিট এবং সেখানকার হোটেলের ভাড়াও কয়েক গুণ করে বেড়ে গেছে।

গতকালও (শনিবার) সন্ধ্যা ৬টার দিকেও কলম্বোয় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছিল, ততক্ষণে ভারত ও পাকিস্তানের পৃথক অনুশীলনও সেরে নেয়। উভয় দলই নিজেদের আগের দুই ম্যাচ জিতে ৪ পয়েন্ট পেয়েছে। তবে নেট রানরেটের হিসাবে শীর্ষে ভারত এবং পাকিস্তান রয়েছে দুইয়ে। দুই দলের আজকের ম্যাচটি বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হলে উভয়েই ১ পয়েন্ট করে পাবে। তেমন কিছু হলে সুপার এইট নিশ্চিত করবে ভারত-পাকিস্তান। কারণ সমান ২ পয়েন্ট নিয়ে তাদের পরের অবস্থানে থাকা যুক্তরাষ্ট্র ও নেদারল্যান্ডস গ্রুপপর্ব শেষে সর্বোচ্চ ৪ পয়েন্ট পাওয়ার সুযোগ আছে।
গ্রাউন্ড স্টাফরা একটি কভার থেকে আরেকটি কভারের দিকে পানি ঠেলে দেন, যতক্ষণ না তা সীমানার ড্রেনে পৌঁছে যায়। এই পদ্ধতি অনেক সময় যান্ত্রিক ‘সুপার সপার’ ব্যবহারের তুলনায় দ্রুত ও কার্যকর প্রমাণিত হয়। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ভারী বৃষ্টি থামার পর সাধারণত ৪৫ থেকে ৬০ মিনিটের মধ্যেই মাঠ খেলার উপযোগী হয়ে ওঠে।
খোরশেদ/১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,/দুপুর ২:৫০






