ব্রেকিং নিউজ
এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে সালাহউদ্দিন আহমেদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল কুড়িগ্রামে শহিদমিনার শাপলা চত্বর ভেঙে সংকুচিত করায় জনমনে ক্ষোভ দর্শনই মানুষকে অন্য প্রাণী থেকে আলাদা করে হত্যা মামলা থেকে বাঁচতে দেশ ছাড়তে মরিয়া আলোচিত এসপি হুমায়ুন ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলা চালকের প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: ইসি আনোয়ারুল আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ পোশাক শিল্পের বিকাশে যা প্রয়োজন, সরকার তাই করবে : প্রধানমন্ত্রী

ট্রাম্প নন প্রেসিডেন্ট হিসেবে চীনের পছন্দ কমলা

Ayesha Siddika | আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২৪ - ১২:৫৬:৪০ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আসন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে এখন প্রচারে ব্যস্ত সময় কাটছে দুই প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কমলা হ্যারিসের। বিভিন্ন দেশের সমর্থন আদায়েও কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন দুই প্রার্থী। এবার মার্কিন নির্বাচনে কমলা হ্যারিসকে নিজেদের সমর্থন দিয়েছে চীন।

চীনের জাতীয় উপদেষ্টা সংস্থার একজন সিনিয়র সদস্য বৃহস্পতিবার বলেছেন, পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে কমলা হ্যারিসকে পছন্দ করবে চীন। কারণ ট্রাম্প পূর্বে প্রেসিডেন্ট থাকাকালে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের তীব্র অবনতি ঘটেছিল যা গুরুতর সংঘর্ষের দিকে পরিচালিত করেছিল।

এদিকে মার্কিন নির্বাচন ইস্যুতে জাতীয় উপদেষ্টা সংস্থা সিপিপিসিসি-এর স্থায়ী কমিটির সদস্য জিয়া কিংগুও বলেছেন, চীন সরকার মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের বিষয়ে মন্তব্য না করতে পছন্দ করে। কারণ তারা যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের অভিযোগে অভিযুক্ত হতে চায় না।

হ্যারিস এবং ট্রাম্পের বিষয়ে জিয়া কিংগুও বলেন, ‘ট্রাম্পের সাথে খারাপ অভিজ্ঞতার কারণে আমি হ্যারিসকে পছন্দ করব। আমরা সেই অভিজ্ঞতা আবার পেতে চাই না। চীনের দৃষ্টিকোণ থেকে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস, যিনি প্রেসিডেন্ট বাইডেনের অধীনে কাজ করেছেন, তিনি ধারাবাহিকতার প্রতিনিধিত্ব করেন।’

এদিকে পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্লোবাল কো-অপারেশন অ্যান্ড আন্ডারস্ট্যান্ডিং ইনস্টিটিউটের পরিচালক জিয়া বলেছেন, ‘ট্রাম্প, প্রেসিডেন্ট  থাকাকালীন, বেশ আবেগপ্রবণ ছিলেন এবং চীন সম্পর্কে অনেক খারাপ তথ্য ছড়িয়েছিলেন। অন্যদিকে বর্তমান প্রেসিডেন্ট বাইডেনের অধীনে, মার্কিন নীতি চীনের দিকে আরও স্থিতিশীল ও অনুমানযোগ্য। আমরা একে অপরের সাথে আবার জড়িত হচ্ছি। কর্মকর্তারা একে অপরের সাথে দেখা করছেন, সমস্যা নিয়ে কথা বলছেন।’

এছাড়াও কোভিড-১৯ ভাইরাস বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য চীনকে দায়ী করেছিলেন ট্রাম্প। যা দেশটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছিল। তাছাড়া ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন চীনা রপ্তানির উপর শুল্ক আরোপ করেছিল। এখন নতুন করে তিনি নির্বাচিত হলে শুল্ক আরোপ ৬০ শতাংশ বাড়ানোর হুমকি দিয়েছেন। যা বেইজিংকে উদ্বিগ্ন করছে কারণ এটি চীনের অর্থনীতিতে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।

 

 

কিউটিভি/আয়শা/১৮ অক্টোবর ২০২৪,/দুপুর ১২:৫৫

▎সর্বশেষ

ad