ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বুধবার থেকে প্রতি দুই ঘন্টা পর পর এক ঘন্টা লোডশেডিং

Anima Rakhi | আপডেট: ১৯ জুলাই ২০২২ - ০৯:৫৩:১৮ পিএম
বাদল আহাম্মদ খান ,ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পল্লী বিদ্যুতের আওতাধীন ছয়টি উপজেলার এলাকায় প্রতি দুই ঘন্টা পর পর এক ঘন্টা লোডিং দেওয়া হবে। বুধবার থেকে জেলার সদর উপজেলাসহ নয় উপজেলাতে এ লোডশেডিং কার্যকর হবে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নিজস্ব ওয়েব সাইটে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিংয়ের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। যদিও সরকারের দেওয়া নির্দেশনায় মফস্বলে প্রতিদিন এক ঘন্টা করে লোডশেডিং দেওয়ার কথা বলছে। প্রয়োজনে সেটা বাড়িয়ে দুই ঘন্টা করার কথা জানানো হয়েছে। সে অনুুযায়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে নির্দেশনা মানা হচ্ছে না। 

তবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড শুধুমাত্র পিকআওয়ারে এলাকাভিত্তিক এক ঘন্টা করে লোডশেডিং দেওয়ার তালিকা প্রকাশ করেছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ- ১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ কান্তি মজুমদার স্বাক্ষরিত এক চিঠি থেকে এ তথ্য জানা যায়। চিঠিতে উল্লেখিত বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের এলাকা শুধুমাত্র ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর শহরসহ আশেপাশের সামান্য অংশ। এছাড়া আশুগঞ্জ, সরাইল, বাঞ্ছারামপুর এলাকাও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন। এদিকে মঙ্গলবারও জেলার বিভিন্নস্থানে লোডশেডিং অব্যাহত ছিলো। সোমবার রাত থেকেই বিভিন্ন উপজেলায় ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ ছিলো না। দিনের বেলাতেও ছিলো একই অবস্থা। তবে সে অনুযায়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকাতে তেমন সমস্যা দেখা দেয়নি। পৌর এলাকায় বারবার বিদ্যুৎ যাওয়া আসা করলেও স্থায়িত্ব ছিলো তুলনামূলক কম।

পল্লী বিদ্যুতের করা তালিকা থেকে দেখা যায়, ঘুরেফিরে ২৪ ঘন্টাই এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং দেওয়া হবে। সদর দপ্তর, বাহাদুরপুর, বিজয়নগর-২ (চম্পকনগর), আখাউড়া-১ (সদর), উড়শিউড়া (সুলতানপুর), নবীনগর-৩ (বিদ্যাকূট), নবীনগর-৪ (সাহারপাড়), আখাউড়া-২ (মোগড়া), কসবা-২ (তিনলাখ পীর), কসবা-১ (কুটি), নবীনগর-১ (নবীনগর সদর), নবীনগর-২  (থোল্লাকান্দি), নাসিরনগর, বিজয়নগর-১ (চান্দুরা), নবীনগর-৫ (জিনদপুর) উপকেন্দ্রে প্রতি দুই ঘন্টা পর পর এক ঘন্টা লোডশেডিং দেওয়া হবে।কথা হলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির  জিএম মো. আক্তার হোসেন মঙ্গলবার বিকেল কুইক নিউজ  কে বলেন, ‘যে তালিকা করা হয়েছে সেটা বুধবার থেকে কার্যকর হবে। আশুগঞ্জে ডিজেলচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় লোডশেডিং বেশি দিতে হবে। কারণ বাইরে থেকে আমরা সে অনুযায়ি বিদ্যুৎ আনতে পারছি না। তবে অবস্থা বুঝে লোডশেডিংয়ের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হবে।’

কিউটিভি/অনিমা/ ১৯.০৭.২০২২/ রাত ৯.৫২

▎সর্বশেষ

ad