ডেস্ক নিউজ :তৈমূর আলম খন্দকার ইভিএম নিয়ে নানা অভিযোগ তুলেছে। তবে আমাদের এই ইভিএম মেশিনটি হচ্ছে একটি নিকৃষ্ট মানের ইভিএম মেশিন। যেখানে পুনরায় গণনা করার কোনো সুযোগ নেই। অর্থাৎ প্রার্থী যদি চায় তাহলে ভোট গণনা করতে পারবে না। সুতরাং নির্বাচন কমিশন যা-ই বলবে তাই বিশ্বাস করতে হবে। আজ শনিবার সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) আয়োজিত ‘সদ্য সমাপ্ত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন : জনপ্রতিনিধি নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং অভিজ্ঞতা’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল সংলাপে এ কথা বলেন বদিউল আলম মজুমদার। সংলাপে সভাপতিত্ব করেন সিপিডির চেয়ারম্যান রেহমান সোবহান।
সংলাপের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)- এর সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। তিনি বলেন, আমি মনে করি এই ইভিএম জাতীয় নির্বাচনে ব্যবহার করা উচিত না। তবে সবকিছুর ওপর সম্প্রতি যে নির্বাচনগুলো হচ্ছে তার মধ্যে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন শিক্ষণীয়। তবে আমাদের ইভিএম থেকে সচেতন থাকা দরকার। মূল প্রবন্ধে তিনি বলেন, একটি নির্বাচনের মূল অংশীজন নির্বাচন কমিশন ও প্রার্থীরা। আমরা নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দেখলাম একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে। এই নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন এমন কোনো আচরণ করেনি যাতে করে নির্বাচন খারাপ হয়। সরকার ও প্রশাসনও এমন কোনো আচরণ করেনি যাতে করে নির্বাচন খারাপ হয়। প্রার্থীরা অসৎ আচরণ করেনি। গ্রেপ্তারের কিছু অভিযোগ থাকলেও তা বিয়ের কোনো অভিযোগ আকারে আমাদের চোখে পড়েনি। নির্বাচনে মনোনয়ন বাণিজ্য হয়নি।
এটি একটি নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন ছিল না। আমরা সম্প্রতি খুলনা ও গাজীপুরে নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন দেখেছি। সংঘাত হয়েছিল রাতে ব্যালট বাক্স ভরা হয়েছিল। এই নির্বাচনকে সরকার প্রভাবিত করেনি। কারণ তারা দেখছিল কোনো প্রভাব ছাড়াই এখানে আইভী জিততে পারে। আর এটি একটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন। এতে সরকার পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। তিনি আরো বলেন, নারায়ণগঞ্জ নির্বাচনকে সরকার কাজে লাগাতে চেয়েছে। কারণ তারা যে বার্তাটি দিতে চেয়েছিল যে দলীয় সরকারের অধীনেও সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে- এই নির্বাচনের মাধ্যমে তারা সেই বার্তাটি দিয়েছে। তবে সাধারণ মানুষ এই বার্তাটি সঠিকভাবে নিয়েছে কি-না তাতে অনেক সন্দেহ রয়েছে।
কিউটিভি/আয়শা/২২শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ/বিকাল ৫:৪৬






