ট্রাম্পের গাজা ‘শান্তি বোর্ড’-এ টনি ব্লেয়ারকে নিয়ে কেন এত বিতর্ক?

Mohon | আপডেট: ১৭ জানুয়ারী ২০২৬ - ০৩:১৭:৫৬ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা উপত্যকার পুনর্গঠন ও তদারকির জন্য নবগঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা ‘শান্তি বোর্ড’-এ সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারকে নিযুক্ত করেছেন। এ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ইরাক আক্রমণ ও দখলদারির সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন টনি ব্লেয়ার। সে সময় ‘গণবিধ্বংসী অস্ত্র থাকার মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে’ ওই যুদ্ধ শুরু হয়। এ কারণে আরব বিশ্ব ও যুক্তরাজ্যের অনেকের কাছেই ব্লেয়ার একজন ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে বিবেচিত।

প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার পর থেকে ব্লেয়ার তার প্রতিষ্ঠিত টনি ব্লেয়ার ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল চেঞ্জ (টিবিআই)- এর কর্মকাণ্ড নিয়েও ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন। সমালোচকদের অভিযোগ, এই প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ‘কঠোর ও স্বৈরাচারী শাসনের ভাবমূর্তি পরিষ্কার করতে সহায়তা করেছে’। সম্প্রতি এই ইনস্টিটিউটের নাম উঠে এসেছে ‘গাজার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি উদ্যোগে, যা ইসরাইলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে অভিযোগ রয়েছে। 

ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টিবিআই একটি বিতর্কিত বেসরকারি প্রস্তাবের সঙ্গে যুক্ত ছিল, যেখানে গাজাকে একটি বাণিজ্যিক কেন্দ্রে রূপান্তরের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। পরিকল্পনা নথিতে একে ‘ট্রাম্প রিভিয়েরা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ইসরাইলি ব্যবসায়ীদের সমর্থন এবং বোস্টন কনসালটিং গ্রুপের সহায়তায় তৈরি ওই পরিকল্পনায় এমন কিছু প্রণোদনার কথা বলা হয়েছে, যা ফিলিস্তিনিদের গাজা থেকে স্থানান্তরে উৎসাহিত করতে পারে। এর ফলে পুনর্গঠনের নামে জাতিগত নির্মূলের আশঙ্কা’ তৈরি হয়েছে বলে সতর্ক করেছেন সমালোচকরা। এই প্রেক্ষাপটে গাজা–সংক্রান্ত বোর্ডে টনি ব্লেয়ারের নিয়োগকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

 

 

 

 

কুইক টিভি/মহন/ ১৭ জানুয়ারি ২০২৬,/বিকাল ৩:১৬

▎সর্বশেষ

ad