
ডেস্ক নিউজ : মাওলানা নোমান বিল্লাহ
কোরআন তেলাওয়াতের সময় সেজদার আয়াত সামনে এলে তেলাওয়াতকারী এবং শ্রোতা দুজনকেই সেজদা দিতে হয়। তবে সেজদার আয়াত শুনে সেজদা দেয়ার জন্য শর্ত হচ্ছে, তেলাওয়াত এবং শ্রবণ উভয়টা এক সঙ্গে হতে হবে। অর্থাৎ সরাসরি তেলাওয়াত শুনতে হবে।
কোরআন তেলাওয়াতের ফজিলত
কোরআন তেলাওয়াত করা একটি ফজিলতপূর্ণ কাজ। এতে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক বাড়ে এবং আমলের পাল্লা ভারী হয়। কোরআন তেলাওয়াতে প্রত্যেক হরফে নেকি লাভ হয়। এ বিষয়ে হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন,
যে ব্যক্তি কোরআনের একটি হরফ পাঠ করবে সে একটি নেকি লাভ করবে। আর প্রতিটি নেকিকেই ১০ গুণ বৃদ্ধি করে দেয়া হয়। আমি বলি না যে, আলিফ-লাম-মীম মিলে একটি হরফ; বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ, এবং মীম আরেকটি হরফ। (তিরমিজি ২৯১০)
তেলাওয়াতের পাশাপাশি কোরআনে তেলাওয়াত শোনাও সওয়াবের কাজ। তেলাওয়াত শুনলেও নেকি লাভের সুসংবাদ দেয়া হয়েছে হাদিসে। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
যে ব্যক্তি কোরআনের একটি আয়াত মনোযোগ দিয়ে শুনবে তার জন্য কয়েকগুণ বাড়িয়ে সওয়াব লেখা হবে। আর যে ব্যক্তি তেলাওয়াত করবে, তার জন্য তা কেয়ামতের দিন নুরে পরিণত হবে। (মুসনাদে আহমদ, ২/৩৪১)
অন্য হাদিসে ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু বলেন, ‘যদি কেউ আল্লাহর কিতাবের একটি আয়াতও শোনে তাহলে তা কিয়ামতের দিন তার জন্য নুরে পরিণত হবে। (সুনানে দারিমি ২/৫৩৬)
কিউটিভি/আয়শা/১৫ ডিসেম্বর ২০২৪,/সন্ধ্যা ৬:২২





