
ডেস্ক নিউজ : মুফতি জাকারিয়া হারুন
সবাই চায় তার জীবন কল্যাণময় হোক, রিজিক বেড়ে যাক, সহজে ধনী হয়ে যাক। জীবনে প্রাচুর্য আসুক। কিন্তু প্রকৃত কল্যাণময় ও প্রাচুর্যময় জীবন তারাই পায়- মহান আল্লাহ যাদের দান করেন। আসুন জেনে নিই, যে দুইটি আমলে রিজিকে বরকত হয় —
মহান আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা
তাওয়াক্কুল বা আল্লাহর প্রতি ভরসা রাখা অন্যতম। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেছেন, ‘আর যে আল্লাহর তাকওয়া অর্জন করবে, আল্লাহ তার জন্য উত্তরণের পথ বের করে দেবেন এবং তিনি তাকে এমন উৎস থেকে রিজিক দান করবেন, যার কল্পনাও সে করতে পারবে না ।’ (সুরা সাদ, আয়াত: ৩৫)
যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি যথার্থভাবে ভরসা রাখো। তিনি তোমাদের সেভাবে রিজিক দান করবেন, যেভাবে তিনি পাখিদের দান করে থাকেন। পাখিরা সকালে ক্ষুধার্ত অবস্থায় (খালি পেটে) বাসা থেকে বের হয় এবং সন্ধ্যায় উদর পূর্ণ করে বাসায় ফেরে। (তিরমিজি: ২৩৪৪; ইবনে মাজাহ: ৪১৬৪)
বেশি বেশি ইস্তেগফার পাঠ করা
ইস্তিগফার পাঠে বান্দার অভাব মোচন হয়। পাপাচার ক্ষমা করা হয়। সন্তান-সন্ততির অভাব যেমন থাকে না তেমিন রিজিকেও আসে পরিপূর্ণ বরকত। অভাবমুক্ত থাকতে পবিত্র কোরআনে বেশি বেশি ইসতেগফার পাঠের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যার ফলে মহান আল্লাহ মানুষকে উত্তম রিজিকসহ অসংখ্য নেয়ামতে ধন্য করবেন বলেও জানিয়েছেন। মহান আল্লাহ বলেন,
ইস্তিগফারের বাক্য
أَستَغْفِرُ اللهَ (উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লাহ।)
أَسْتَغْفِرُ اللهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ (উচ্চারণ:আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাইহি।)
أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ (উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লা হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কইয়্যুমু ওয়া আতুবু ইলায়হি।)
অর্থ: আমি ওই আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, যিনি ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোনো মাবুদ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী এবং তার কাছেই (তাওবাহ করে) ফিরে আসি।
কিউটিভি/আয়শা/১০ নভেম্বর ২০২৪,/বিকাল ৩:৫৫





