
ডেস্ক নিউজ : মুফতি জাকারিয়া হারুন
দয়াময় আল্লাহ তায়ালা বলেন,
إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَغۡفِرُ أَن يُشۡرَكَ بِهِۦ وَيَغۡفِرُ مَا دُونَ ذَٰلِكَ لِمَن يَشَآءُۚ وَمَن يُشۡرِكۡ بِٱللَّهِ فَقَدۡ ضَلَّ ضَلَٰلَۢا بَعِيدًا অর্থ: নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমা করেন না তার সঙ্গে শরিক করাকে এবং এ ছাড়া যাকে চান ক্ষমা করেন। আর যে আল্লাহর সাথে শরিক করে সে তো ঘোর পথভ্রষ্টতায় পথভ্রষ্ট হল।’ (সুরা নিসা: ৪৮) শিরক ছাড়া যা আছে তা আল্লাহর ইচ্ছাধীন। আর আত্মহত্যা শিরক নয়। তেমনি জিনা, চুরি, মদ্য পান- সবকিছুই গুনাহ বটে। তবে তা শিরক নয়। এসবে লিপ্ত ব্যক্তি আল্লাহর ইচ্ছাধীন থাকবে।
কেউ যখন এসব গুনাহে লিপ্ত হয়ে মারা যাবে- আল্লাহ চাইলে তাকে ক্ষমা করবেন; তার নেক কাজগুলোর বদৌলতে কিংবা ইসলামে বিশ্বাসের ভিত্তিতে। আর তিনি চাইলে তাকে তার অপরাধ অনুপাতে তাকে শাস্তি দেবেন। অতঃপর সে গুনাহ থেকে পবিত্র হওয়ার পর তাকে জাহান্নাম থেকে বের করা হবে।
কেননা আহলে সুন্নত ওয়াল জামাত তথা রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবিরা এবং কিয়ামত পর্যন্ত আগত তার আদর্শ অনুসারীদের মত হলো, গুনাহগার ব্যক্তিরা চিরস্থায়ী জাহান্নামী হবে না। কারণ গুনাহগার মাত্রই সে নিজেকে অপরাধী ভাবে।
শয়তানের প্ররোচনায় বা প্রবৃত্তির তাড়নায় সে গুনাহে জড়িয়ে পড়ে। তাই সে অনন্তকাল জাহান্নামী হবে না। বরং আল্লাহ চাইলে তাকে ক্ষমা করে দেবেন এবং তাকে তার ঈমানের বদৌলতে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। অবশ্য কেউ যদি নিজের গুনাহকে বৈধ মনে করে বা আল্লাহর বিধানের সঙ্গে কুফরীবশত গুনাহ করে বা আত্মহত্যা করে তবে সবার মতে সে জাহান্নামী। জাহান্নামই তার স্থায়ী ঠিকানা হবে।
কিউটিভি/আয়শা/২৪ অক্টোবর ২০২৪,/সন্ধ্যা ৭:৩৩





