
ডেস্ক নিউজ : রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, গত কয়েকদিন যেখানে শুনশান নীরবতায় আচ্ছন্ন ছিল সে সব এলাকায় আজ ছিল রাজ্যের ব্যস্ততা। গাড়ির হুইসেল-হর্ন আর গণমানুষের কোলাহলে মুখর ছিল চারপাশ। যেন টানা কয়েকদিনের ঘুম শেষে আড়মোড়া ভাঙলো প্রিয় নগরী।
কাল নয়টা থেকেই সড়কে বাড়তে থাকে মানুষের উপস্থিতি। সরকারি-বেসরকারি অফিস খোলায় জীবন-জীবিকার টানে ঘরবন্দি জীবন ছেড়ে কর্মস্থলে ছুটতে থাকেন অনেকেই। সেই সঙ্গে বাড়ে যানবাহনের সংখ্যাও। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অন্যসব স্বাভাবিক দিনের মতোই স্বরূপে ফিরতে শুরু করে রাজধানী।
বিকেলে ফারফিউয়ের সময় পেরিয়ে গেলেও শেষ মুহূর্তে বাড়ি ফেরার তাড়ায় সড়কে ছিল সেই পুরনো যানজট। সড়কে যানজটের কারণে ঢাকাবাসী উড়ালপথ, মেট্রোরেল আর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের গুরুত্ব বুঝেছে হাড়েহাড়ে। রাজধানীর বিজয় সরনি, ফার্মগেট, কারওয়ানবাজার, পান্থপথ, শাহবাগ, মৎস্য ভবন, শাপলা চত্বরে দীর্ঘ সময় আটকে থাকতে দেখা যায় যানবাহন। প্রধান সড়কের বাইরে অলিগলিও মুক্ত ছিল না ভয়াবহ যানজট থেকে।
তবে, টানা কয়েক দিনের অস্বস্তিকর পরিস্থিতি কাটিয়ে ঘরের বাইরে বেরিয়ে বুক ভরে নিশ্বাস নেন রাজধানীবাসী। অফিস খোলার পাশাপাশি যান চলাচলা অনেকটা স্বাভাবিক হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেন তারা। সপ্তাহের শেষ কর্মদিসব আগামীকাল বৃহস্পতিবারও বেলা ১১ টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চালু থাকবে সরকারি বেসরকারি অফিস। অন্যদিকে কারফিউ শিথিল থাকবে সকাল ১০টা থেকে ৫টা পর্যন্ত।
কিউটিভি/আয়শা/২৪ জুলাই ২০২৪,/সন্ধ্যা ৬:৫০






