অতিরিক্ত ওজন নিয়ে রোজা, মানসিক চাপ কমার বাস্তব উদাহরণ

Ayesha Siddika | আপডেট: ২৩ মার্চ ২০২৪ - ০৫:০৫:৩০ পিএম

স্বাস্থ্য ডেস্ক : গত বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালে রোজা চলাকালীন সময় তিনি তার শারীরিক সমস্যা কমাতে নানাভাবে চেষ্টা চালান। রোজার মাসে চিকিৎসকের পরামর্শে তিনি সঠিক খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক ক্রিয়াকলাপ, প্রার্থনার মাধ্যমে নিজের জীবনযাপন পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার প্রতিজ্ঞা করেন। আলিমের এই চেষ্টা পরবর্তীতে তার জীবনে অনেক পরিবর্তন নিয়ে আসে।

এ ব্যাপারে সৈয়দ আলিমের চিকিৎসক ও আজমানের থামবে ইউনিভার্সিটি হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ ডা. কিরণ কুমার জানান, সৈয়দ তার চেষ্টার ভালো ফল পেয়েছেন। মাত্র এক মাসে, তিনি ৬ কেজি ওজন কমান। যার ফলে তার রক্তে শর্করার মাত্রা, ফ্যাটি লিভারের অবস্থা, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ-সবই উন্নত হয়। এক মাস রোজা রাখার কারণে শারীরিক দিকের বাইরে সৈয়দ আলিম মানসিকভাবেও ভালো বোধ করেন। তার ভাষায়, রোজা রাখার কারণে তার মনমেজাজ এবং সামগ্রিক ফিটনেস ভালো হয়ে যায়।

রোজা রাখার স্বাস্থ্য উপকারিতা নিয়ে চিকিৎসকরা দীর্ঘদিন ধরে পরামর্শ দিয়ে আসছেন। ডা. কিরণের মতে, সৈয়দের মতো অনেক রোগীই রোজার দিনে প্রার্থনায় মশগুল থাকার পাশাপাশি একটা সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং ব্যায়ামের রুটিন অনুসরণ করেন। যা তাদেরকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক আরেকজন চিকিৎসক বলেছেন, সেহেরি থেকে ইফতার পর্যন্ত উপবাস শারীরিক এবং মানসিক উভয় দিক থেকেই একজনকে সুস্থ রাখে।
জুমেইরাহ বিচ রেসিডেন্সের অ্যাস্টার এক্সপ্রেস ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞ ডা. নেভরা বাতুরের মতে, রোজার মাসে খাদ্যাভ্যাস, প্রার্থনা, নিজের সম্প্রদায়ের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যমে অনেকেই শান্তি খুঁজে পায়। এর ফলে সে মানসিকভাবে সুস্থ থাকে। চিকিৎসকদের মতে, রোজার প্রভাব শুধু ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়; এটা সামগ্রিকভাবে শরীর ও মন সুস্থ রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে।
 
সূত্র: খালিজ টাইমস

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৩ মার্চ ২০২৪,/বিকাল ৪:৫৫

▎সর্বশেষ

ad