
স্পোর্টস ডেস্ক : ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠেছে বিশ্বকাপের ১৩তম আসরের। এ আসরে অংশ নিতে যাওয়া দশ দেশের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া, ভারত পাকিস্তান, শ্রীলংকা ও ইংল্যান্ড ইতোমধ্যে পেয়েছে বিশ্বকাপের স্বাদ। দলগুলোর বিশ্বকাপ রেকর্ড কেমন তা নিয়েই এ আয়োজন।
এ ছাড়া প্রথম রাউন্ড থেকে তারা বাদ পড়েছে তিনবার। ১৯৯৬ সালের আসর থেকে প্রতিটি আসরে নক-আউট পর্বে গেছে তারা। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে ৯৪ ম্যাচ খেলে ৬৯ ম্যাচে জিতেছেন অজিরা।
দুবার বিশ্বকাপ জিতেছে এ বিশ্বকাপের স্বাগতিক ভারত। ১৯৮৩ ও ২০১১ সালে ক্রিকেট বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়নের মুকুট পরে ভারত। এ ছাড়া সেমি-ফাইনাল পর্যন্ত খেলেছে চারবার আর প্রথম রাউন্ড থেকেই বাদ পড়েছে চারবার। বিশ্বকাপে ৮৪ ম্যাচ খেলে ৫৩ ম্যাচ জিতেছে ভারত।
প্রথমবার ফাইনাল খেলতে নেমেই ইমরান খানের নেতৃত্বে পাকিস্তান জিতেছিল বিশ্বকাপ। এ ছাড়া রানারআপ হয়েছিল ১৯৯৯ বিশ্বকাপে। গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ পড়েছে চারবার। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৭৯ ম্যাচ খেলে ৪৫ ম্যাচ জিতেছে পাকিস্তান।
একবার বিশ্বকাপ জয়ী শ্রীলঙ্কা শিরোপা ঘরে তুলেছিল ১৯৯৬ সালে। মজার ব্যাপার হলো ১৯৯২ সাল পর্যন্ত পাঁচ বিশ্বকাপের সবগুলো খেললেও প্রতিবারই গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ হয়ে গিয়েছিল তারা।
১৯৯৬ সালে প্রথমবার গ্রুপ পর্ব টপকানো লংকানরাই জিতে নিয়েছিল বিশ্বকাপ। তাদের এমন বিশ্বজয়ে চমকে গিয়েছিল সবাই। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে ৮৩ ম্যাচ খেলে ৩৮টি জিতেছে লংকানরা।
গতবার প্রথম বিশ্বকাপ জেতা ইংল্যান্ড এর আগে তিনবার রানারআপ ও দুইবার সেমি পর্যন্ত খেলেছে। এ ছাড়া তিনবার প্রথম রাউন্ড থেকে বাদ হন ইংলিশরা। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৮৩ ম্যাচ খেলে ইংল্যান্ড জিতেছে ৪৮ ম্যাচে।
বাকি পাঁচ দলের কখনো জেতা হয়নি বিশ্বকাপ। সেগুলো হলো— বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ড ও আফগানিস্তান। ১৯৯৯ সালে বিশ্বকাপের সপ্তম আসরে এসে প্রথম বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পায় বাংলাদেশ। বাংলাদেশ সর্বোচ্চ কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত খেলেছে ২০১৫ সালে। এ ছাড়া ২০০৭ বিশ্বকাপে খেলেছে সুপার এইট।
পরিসংখ্যান অনুসারে বাংলাদেশের সবচেয়ে বাজে বিশ্বকাপ কেটেছে ২০০৩ সালের আসরে, জিততে পারেনি কোনো ম্যাচ। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে ৪২ ম্যাচ খেলে ১৪ ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ।
২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে কোয়ার্টার-ফাইনাল নিশ্চিত করার পর বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা
আফগানিস্তান প্রথম বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পায় ২০১৫ সালে। এটি হতে চলেছে তাদের তৃতীয় আসর। দুই আসর মিলিয়ে ১৫ ম্যাচ খেলে মাত্র ১ ম্যাচ জিতেছে তারা। এখন পর্যন্ত চারটি বিশ্বকাপে খেলেছে নেদারল্যান্ডস।
চারটিতেই বাদ পড়েছে গ্রুপ স্টেজ থেকে। ১৯৯৬ সালে প্রথম বিশ্বকাপ খেলেছে ডাচরা। চার বিশ্বকাপে ২০ ম্যাচ খেলে ২ ম্যাচ জিতেছে নেদারল্যান্ডস।
শিরোপার স্বাদ না পেলেও নিয়মিত নকআউট পর্বে দেখা যায় নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে। নকআউট পর্বে গিয়ে নিয়মিত হোঁচট খাওয়ায় তাদের জুটেছে চোকার্স উপাধি। এখন পর্যন্ত দুবার ফাইনাল ও ছয়বার পর্যন্ত সেমিফাইনাল অবধি গেছেন কিউইরা। অর্থাৎ সব মিলিয়ে ৮টা সেমিফাইনাল খেলেছে তারা। বিশ্বকাপের ৮৯ ম্যাচের মাঝে ৫৪টিতেই জিতেছে তারা।
২০১৫-বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা দক্ষিণ আফ্রিকার দৌড়ও সেমি পর্যন্তই। ১৯৯২ বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশ নেয় তারা। ৮ বিশ্বকাপের মধ্যে চারটিতেই খেলেছে সেমিফাইনাল আর কোয়ার্টার-ফাইনাল খেলেছে দুটিতে। বিশ্বকাপে ৬৪ ম্যাচ খেলেছে তারা। এর মধ্যে ৩৮ ম্যাচ জিতেছেন প্রোটিয়ারা।
কিউটিভি/আয়শা/০৫ অক্টোবর ২০২৩,/বিকাল ৪:২৫






