সমাবেশে জামায়াতের আস্ফালন আসলে বিএনপিরই বক্তব্য: তথ্যমন্ত্রী

Ayesha Siddika | আপডেট: ১১ জুন ২০২৩ - ০৩:৫৭:৩০ পিএম

ডেস্ক নিউজ : রোববার (১১ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বঙ্গবন্ধুর জুলিও কুরি শান্তি পদকপ্রাপ্তির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন তথ্যমন্ত্রী।  এর পর তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে কথা বলেন।

শনিবার (১০ জুন) ‘জামায়াতকে মাঠে নামার সুযোগ দেয়া হলো কেন’–সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, যেকোনো রাজনৈতিক দল সমাবেশ করতে পারে। কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ হলে তাদের সভা-সমাবেশ করার অধিকার থাকে না। যতক্ষণ পর্যন্ত নিষিদ্ধ না হয়, তারা সভা-সমাবেশ করার অধিকার রাখে।
 
বিএনপির সুরে সুর মিলিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচন হবে না–জামায়াত নেতাদের এমন বক্তব্যের বিষয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘জামায়াতের সমাবেশ থেকে যেভাবে আস্ফালন করা হয়েছে, এগুলো আসলে জামায়াতের বক্তব্য নয়–বিএনপির বক্তব্য। তারা নির্বাচন প্রতিহত করার কথা বলেছে। অর্থাৎ, ২০১৪ সালে যেভাবে নির্বাচন প্রতিহত করতে গিয়ে শত শত মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করেছে। সেটারই ইঙ্গিত গতকালও (শনিবার) দিয়েছে তারা। বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রধান শরিক হচ্ছে জামায়াত। বিএনপি জামায়াতকে দিয়ে এ কথাগুলো বলিয়েছে।

অতীতের মতো জামায়াত-বিএনপিকে আর মানুষ পোড়ানোর সুযোগ দেয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালের পুনরাবৃত্তি করতে দেবে না। তাদের (জামায়াত) সুযোগ দিলে যে তারা কী করতে পারে, সেটি গতকাল (শনিবার) তাদের বক্তব্যে পরিষ্কার হয়েছে। এটি পরিষ্কার করারও প্রয়োজন ছিল। প্রসঙ্গত, শনিবার (১০ জুন) ১০ বছর পর পুলিশি অনুমতি নিয়ে ঢাকায় কর্মসূচি পালন করে যুদ্ধাপরাধী সংগঠন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ২০১৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি সবশেষ অনুমতি নিয়ে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছিল সংগঠনটি।

 

 

কিউটিভি/আয়শা/১১ জুন ২০২৩,/বিকাল ৩:৫৮

▎সর্বশেষ

ad