
লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : ডিমে রয়েছে ভিটামিন, খনিজ, প্রোটিন, ফ্যাট, ক্যারোটিনয়েডস, লিউটিন, জিয়াজ্যান্থিনের মতো নানা পুষ্টি উপাদান। তাই শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক সব বয়সীরাই ডিম খেতে পারবেন।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিম পুষ্টিকর হলেও এর সব পুষ্টি শরীর পেতে বঞ্চিত হবে যদি না ডিম সেদ্ধ করে না খাওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে পুষ্টিবিদরা বলছেন, বিভিন্নভাবে ডিম খাওয়া গেলেও সেদ্ধ ডিমেই বেশি পুষ্টি লুকিয়ে থাকে। তবে ডিম সেদ্ধ করে খেলেই আপনি সব পুষ্টি পাবেন এমনটাও নয়।
কারণ হিসেবে পুষ্টিবিদরা জানিয়েছেন, ডিম সিদ্ধ করার সময়তেও রয়েছে রকমফের। ডিস সেদ্ধ করতে সময়কে গুরুত্ব না দিলেই দেখা দেবে অসঙ্গতি।
বিবিসি গুড ফুডের তথ্য অনুযায়ী,
ডিম অর্ধেক সেদ্ধ হতে লাগে ৪ মিনিট। ডিমের সাদা অংশ একটু শক্ত হবে তবে কুসুম নরম থাকবে। কুসুম কাটলেই গলে পড়বে এমনভাবে ডিম সেদ্ধ হতে সময় নেয় ৫ মিনিট।
ডিমের কুসুম শক্ত হবে না কিন্তু কুসুমে আঠালো একটা ভাব থাকবে এমন ডিম সেদ্ধ হতে সময় নেয় ৭ মিনিট।
সামান্য নরম অবস্থায় কুসুম সেদ্ধ হতে সময়ের প্রয়োজন ৮ মিনিট। আর সম্পূর্ণ হার্ড বয়েল ডিম মানে সব শক্ত হয়ে সেদ্ধ হবে। মাঝখানের কুসুমে পানির পরিমাণ প্রায় শুকিয়ে যাবে এমন ডিম সেদ্ধ হতে সময় লাগে ১০ মিনিট।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্পূর্ণ পুষ্টি পেতে আর ডিমে কোনো ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণু ধ্বংস হতে অবশ্যই সবাইকে হার্ড বয়েল ডিম খেতে হবে। আর এভাবে ডিম সেদ্ধ করতে চুলার মিডিয়াম আঁচে আপনার সময় প্রয়োজন হবে ১০ থেকে ১২ মিনিট। এর বেশি কিংবা কম সময় ধরে ডিম সেদ্ধ করলেই তা খাওয়ার জন্য শতভাগ নিরাপদ নয় বলে মনে করছেন পুষ্টিবিদরা।
কিউটিভি/আয়শা/০৯ এপ্রিল ২০২৩,/রাত ৮:৪৮






