মুহূর্তেই শেষ পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট, এখনো আছে পূর্বাঞ্চলের

Ayesha Siddika | আপডেট: ০৭ এপ্রিল ২০২৩ - ০৪:৪২:১৬ পিএম

ডেস্ক নিউজ : এবারই প্রথম ঈদ যাত্রায় ট্রেনের সব টিকিট অনলাইনে বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আজ শুরু হয়েছে প্রথম দিনের টিকিট বিক্রি। প্রথম দিনে রেলের পশ্চিমাঞ্চলের (কুড়িগ্রাম, রংপুর, লালমনিরহাট, নীলফামারী, রাজশাহীসহ কয়েকটি জেলা) টিকিট মুহূর্তেই শেষ হয়ে যায়। তবে পূর্বাঞ্চলের (ঢাকা চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, জামালপুর, গাজীপুরসহ কয়েকটি জেলা) টিকিট এখনো পাওয়া যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর পশ্চিম প্রান্ত থেকে রেলের পশ্চিমাঞ্চল শুরু। আর পূর্ব প্রান্ত থেকে পূর্বাঞ্চল।

ঘরে বসে টিকিট পেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন অনেকে। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শুক্রবার (৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রথম দিনের টিকিট বিক্রিসংক্রান্ত এসব তথ্য পাওয়া গেছে। রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, রেলে আজ বিক্রি করা হচ্ছে ১৭ এপ্রিলের টিকিট। আগামীকাল শনিবার (৮ এপ্রিল) বিক্রি করা হবে ১৮ এপ্রিলের, পরদিন ৯ এপ্রিল পাওয়া যাবে ১৯ এপ্রিলের, ১০ এপ্রিল বিক্রি করা হবে ২০ এপ্রিলের এবং ১১ এপ্রিল বিক্রি করা হবে ২১ এপ্রিলের ঈদ যাত্রার টিকিট। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করেন ১৬ লাখ মানুষ। যার বিপরীতে টিকিটসংখ্যা প্রায় ২৯ হাজার।

আজ প্রথম দিনে শতভাগ টিকিটি অনলাইনে পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট মুহূর্তেই শেষ হয়ে গেছে। গ্রাহকদের কারো দাবি- এক মিনিটেই শেষ হয়ে গেছে ওই অঞ্চলের টিকিট। আবার কেউ কেউ দাবি করেন, মাত্র ১০ সেকেন্ড পরই টিকিট পাওয়া যায়নি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রীদের প্ল্যাটফরম ফেসবুকে। ‘বাংলাদেশ রেলওয়ে হেল্পলাইন’ নামে দেড় লাখ মানুষের এ গ্রুপে টিকিট পাওয়া না-পাওয়া নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস-হতাশা দেখা গেছে। টিকিট না পেয়ে দিনাজপুরের ট্রেনযাত্রী মোহাম্মদ পলাশ লিখেছেন, প্রত্যেক স্টেশনের জন্য বরাদ্দকৃত টিকিটের পরিমাণ দেখেই বোঝা যাচ্ছে, সরষের মধ্যে ভূত লুকিয়ে আছে। আগে ঢাকা-দিনাজপুর শোভন চেয়ার বরাদ্দ ছিল অনলাইনে ৯১ ও কাউন্টারে ৯১ মোট ১৮২ সিট থাকার কথা, বাকি সিট কোথায় গেল?

বিক্রি শুরুর প্রথম দিনেই উত্তরের সব টিকিট বিক্রি ও যাত্রী চাহিদা সম্পর্কে জানতে চাইলে সহজ জেভির নির্বাহী কর্মকর্তা সন্দ্বীপ দেবনাথ বলেন, অতি চাহিদার কারণে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে টিকিটগুলো বিক্রি হয়ে গেছে। আমরা কোনো অভিযোগ পাইনি। সার্ভার স্মুথ ছিল। প্রতি মিনিটে এক হাজার করে টিকিটি বিক্রি হয়েছে। অন্যদিকে প্রথমবারের মতো ঈদের আগাম টিকিট বিক্রির দিনে কমলাপুর রেলস্টেশন ছিল ফাঁকা। আগের বছরগুলোর মতো কোনো ভিড় ছিল না স্টেশনে। শুক্রবার (৭ এপ্রিল) সকালে কমলাপুর রেলস্টেশনে এ চিত্র দেখা যায়। 

রেলওয়ের ঢাকা বিভাগের ডিআরএম শফিকুর রহমান বলেন, অনলাইনে সব টিকিট দেওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি কমে গেছে। এখন আর কাউকে স্টেশনে এসে রাত জেগে লাইনে দাঁড়াতে হয় না। আমাদের পরিশ্রমও অনেক কমে গেছে।

 

 

কিউটিভি/আয়শা/০৭ এপ্রিল ২০২৩,/বিকাল ৪:৪০

▎সর্বশেষ

ad