ব্রেকিং নিউজ
হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৭৪ জাতি গঠনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ শিশুর শিক্ষা ও স্বাস্থ্য : প্রধানমন্ত্রী ইরাকে আইআরজিসি’র গোপন সেল, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে হামলা যুক্তরাষ্ট্রে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের গাড়িতে গুলি, নিহত ১ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সংঘাতের শঙ্কা, দেশজুড়ে পুলিশের সতর্কতা রিজার্ভ চুরি মামলার খসড়া চার্জশিট নিয়ে প্রকাশিত তথ্য সিআইডির নয় সরকার ইতোমধ্যে অনেকগুলো অঘটন ঘটিয়েছে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে নিহতের সংখ্যা আসলে কত? সমঝোতার পর হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিল ইরানের ১১ বাণিজ্যিক জাহাজ সেনাবাহিনী দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বপরিসরেও অবদান রাখছে : সেনাপ্রধান

নদীগর্ভে বিলীন ৬০ বসতবাড়ি

superadmin | আপডেট: ৩০ জুলাই ২০২২ - ০৬:০২:১৪ পিএম

ডেস্কনিউজঃ সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রানীনগর গ্রামে নদী-ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তীরে বসবাস করা মানুষ। বন্যার পর গত কয়েক দিনে এই গ্রামে নদী ভাঙনে ৬০টি পরিবারের থাকার ঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বিশেষ করে বন্যার পর নদীতে ভাঙন বেড়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, গত ৪ সপ্তাহ ধরে নদীতে ভাঙন শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত তা অব্যাহত রয়েছে। ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িগুলোর টিন, কাঠসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র স্তুপ করে রাখা হয়েছে রাস্তার ওপর। যাদের কিছুটা সামর্থ্য আছে তারা ওই সড়কের ওপরেই নতুন করে কোনমতে ঘর তুলে মাথা গোঁজার ঠাঁই করে নিয়েছেন।

এখন পর্যন্ত গ্রামের বাসিন্দা তেরা মিয়া, নুরুল আমিন, সাইদুল আমিন অভিনাস দাশ, দেবন্দ দাস, জামাল মিয়া, সমসুল হক, ফখরুল মিয়া, দিপালী দাশ, নিপেন্ঠ দাশ, সশিন্দ দাশ, মনিন্ড দাশ, সিতাব আলী, নুর মিয়া, কাচা মিয়া, কালা মিয়া, আছাব মিয়া, আবুল হোসেন, নুরুল হক সঈদুল আমিনসহ আরও অনেকের বাড়ি ভেঙে গেছে। এই গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ শ্রমিক। দিন আনে দিন খায়। এছাড়া অনেকেই কৃষি কাজ, ভাঙারি ব্যবসা এবং মুদি দোকান করে জীবিকা নির্বাহ করেন। ফলে এখানকার বাসিন্দাদের দিন-রাত কাটছে আতঙ্কে।

স্থানীয়রা জানান, দিন রাত যে কোন সময় কুশিয়ারা পাড় ভেঙে ভয়ঙ্কর বেগে ঘরের দিকে আসছে। চিৎকার করে আশপাশের লোকদের ডেকে তুলে ঘর ভেঙে সরাতে শুরু করেন। এরই মধ্যে কয়েকটি ঘর নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। আমাদের বসত ভিটা, গাছপালা ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ছদরুল ইসলাম জানান, তিনি রানীনগর গ্রামের নদী ভাঙনের স্থান পরিদর্শন করেছেন। পরিকল্পনামন্ত্রী আগামীতে সেতু পরিদর্শন করতে আসলে নদী ভাঙনের স্থানে নিয়ে যাওয়া হবে।

জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিদুল ইসলাম বলেন, নদী ভাঙনের বিষয়ে তিনি জেনেছেন। তাদের জন্য কিছু করার চিন্তা করছেন তিনি।

বিপুল/৩০.০৭.২০২২/ বিকাল ৫.৫৫

▎সর্বশেষ

ad