পেট ফুলে-ফেঁপে যাচ্ছে? জিরার ম্যাজিকে সমাধান!

Ayesha Siddika | আপডেট: ১০ জুন ২০২২ - ১২:৪৯:০৩ পিএম

লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : বেশিরভাগ রান্নাতেই জিরা ব্যবহার করা হয়। একাধিক গবেষণায় জানা গেছে, হজম ক্ষমতার উন্নতির পাশাপাশি নানাবিধ পেটের রোগ সারাতে প্রকৃতিক উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। আয়ুর্বেদ চিকিৎসকদের মতে, জিরায় রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য। যা ঠান্ডা থেকে রক্ষা করার পাশাপাশি রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে।

জিরার রয়েছে অনেক জানা-অজানা উপকারিতা। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এই সময়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্যাসের সমস্যা ও নারীদের পিরিয়ডের সমস্যা সমাধান করতে পারে জিরা। এসব সমস্যায় ঘরোয়া প্রতিকার হিসেবে জিরার ব্যবহার জেনে নিন।

গ্যাসের সমস্যা দূর হয়

প্রতিদিন কেউ না কেউ পেটে গ্যাসের সমস্যায় ভুগে থাকেন। বেশি ভাজা খাবার খাওয়ার কারণে প্রায়ই এমনটা হয়। আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞদের নির্দেশিত উপায়ে জিরা ব্যবহার করে আপনি এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন সহজেই। এ জন্য শুকনা আদা ও বিট লবণের সঙ্গে জিরার গুঁড়া তৈরি করে খাওয়ার আগে গরম পানির সঙ্গে সেবন করুন। এতে পেটে গ্যাসের সমস্যা দূর হবে।

পিরিয়ডের ব্যথা থেকে মুক্তি

বেশিরভাগ নারীই পিরিয়ডের ব্যথায় অস্থির থাকেন। এ সাধারণত পেটে ব্যথা, পিঠে ব্যথা, বমি বমি ভাবের মতো সমস্যা সৃষ্টি করে। এমন পরিস্থিতিতে, জিরা আপনাকে স্বস্তি দিতে সাহায্য করতে পারে। এ জন্য ৫০ গ্রাম জিরা পিষে নিন। তারপর ২৫ গ্রাম গুড়ের সঙ্গে মিশিয়ে ক্যাপসুল আকারে রাখুন। পিরিয়ডের ২ থেকে ৩ দিন আগে থেকে প্রস্তুত ক্যাপসুল করে নিন। তাহলে পিরিয়ডের সময় খুব বেশি সমস্যায় পড়তে হবে না।

মাতৃ দুগ্ধ তৈরি

অনেক নারী প্রসবের পর শিশুকে দুধ খাওয়াতে পারেন না। যার কারণে শিশু প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায় না। এক্ষেত্রে জিরা ব্যবহার করতে পারেন। এতে উপস্থিত ঔষধি উপাদান নতুন মায়েদের জন্য উপকারী। আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গরম দুধ ও মিছরির সঙ্গে জিরা মিশিয়ে কয়েক দিন খেলে এই সমস্যা দূর হয়।

 

 

কিউটিভি/আয়শা/১০.০৬.২০২২ খ্রিস্টাব্দ/দুপুর ১২:৪৪

▎সর্বশেষ

ad