স্পোর্টস ডেস্ক : এর আগে ২০১৪ সালে নিজেদের প্রথম পাঁচ ম্যাচে হেরেছিল মুম্বাই। এখনো পর্যন্ত সেটাই ছিল তাদের সব থেকে খারাপ শুরু। যদিও সেই বছর শেষ পর্যন্ত প্লে-অফে ওঠেন রোহিতরা। এছাড়া ২০১৩ সালে দিল্লি ক্যাপিটালস (তৎকালীন দিল্লি ডেয়ারডেভিলস) ও ২০১৮ সালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু নিজেদের প্রথম ছয় ম্যাচে হেরেছিল।
মুম্বাই সপ্তম দল যারা এক আইপিএলে টানা ছয় বা তার বেশি ম্যাচ হারল। ২০০৮ সালে ডেকান চার্জার্স টানা সাত ম্যাচে হেরেছিল। ২০১৫ সালে পাঞ্জাব কিংসও টানা সাত ম্যাচ হারে। দিল্লি ক্যাপিটালস ২০১৩ সালে টানা ছয় ও ২০১৪ সালে টানা নয় ম্যাচে হেরেছিল। ২০১৭ ও ২০১৯ সালে টানা ছয় ম্যাচ হারার নজির রয়েছে আরসিবির। ২০১২ ও ২০১৩ সালে টানা নয় ম্যাচ হারে পুণে ওয়ারিয়র্স। এই তালিকায় রয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্সও। ২০০৯ সালে টানা নয় ম্যাচ হারে তারা।
বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে জয়ের জন্য শেষ ওভারে চেন্নাই সুপার কিংসের দরকার ছিল ১৭ রান, ক্রিজে ছিলেন ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস ও মহেন্দ্র সিং ধোনি। প্রথম বলে প্রিটোরিয়াস আউট হয়ে গেলে ২ চার, ১ ছয় ও ১টি ডাবল নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন ধোনি। অন্য রানটি আসে ব্রাভোর ব্যাট থেকে। এবারের আসরে মুম্বাইয়ের এটি টানা সপ্তম হার। অন্যদিকে ৭ ম্যাচে চেন্নাইয়ের এটি দ্বিতীয় জয়।
এদিকে, ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) চলতি মৌসুমটা ভালো যাচ্ছে না রোহিত শর্মারও। তার ব্যাটিং ব্যর্থতার প্রভাব পড়েছে দলেও। ভারতের ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের সফলতম দলটি এবারের আসরে একটি ম্যাচও জেতেনি। এদিকে চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে আসরে প্রথম জয়ের সন্ধানে নেমে শূন্য রানে সাজঘরে ফিরেছেন রোহিত। আর এতে গড়েছেন আইপিএল ইতিহাসে এক লজ্জাজনক রেকর্ড।
এদিকে শূন্য রানে সাজঘরে ফেরার পথে লজ্জার রেকর্ড গড়েন ভারত অধিনায়ক। আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ডাক করে লজ্জার নজির গড়েছেন তিনি। মোট ১৪ বার শূন্য রান করে আউট হয়েছেন রোহিত। তার পরে পিয়াশ চাওলা, হরভাজন সিং, মনদীপ সিং, পার্থিব প্যাটেল ও আম্বাতি রাইডু ১৩ বার করে শূন্যতে সাজঘরে ফিরেছিলেন। তবে এদিন সবাইকে চাপিয়ে লজ্জার রেকর্ড একার করে নিলেন রোহিত।
কিউটিভি/আয়শা/২২শে এপ্রিল, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ/দুপুর ২:০২






