বন্দরের দুর্নীতি নিয়ে সংসদে সোচ্চার বিরোধী দলীয় এমপিরা

admin | আপডেট: ০৪ এপ্রিল ২০২২ - ০৪:০২:৫৯ পিএম

ডেস্ক নিউজ : মোংলাসহ দেশের বন্দরগুলোতে অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টি ও বিএনপি’র সংসদ সদস্যরা। আজ সোমবার মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ বিলের উপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তারা উত্থাপিত বিলে অনিয়ম-দুর্নীতি আরো বাড়বে বলে অভিযোগ করেন।স্পিকার ড শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া সংসদ অধিবেশনে আলোচনায় অংশ নিয়ে জাতীয় পার্টির সদস্য রুস্তম আলী ফরাজী বলনে, বন্দর থেকে গাড়ি উধাও হয়ে যায়। সেখানে চুরি হয়, মাদক চোরাচালান হয়।

এসব বন্ধ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, ২০০৮ সাল পর্যন্ত মোংলা মৃত বন্দর ছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণে এই বন্দরটি সচল হয়। তবে যে দুষ্ট চক্র আছে তাদের প্রতহিত করতে হবে। গণফোরামের সদস্য মোকাব্বির খান বলেন, এই আইনে বন্দর কর্তৃপক্ষকে ব্যাপক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। যা দেখে মনে হচ্ছে অনেক সমন্বয়হীনতা আছে। এটা দুর্নীতিকে ব্যাপকভাবে উৎসাহিত ও প্রসার লাভ করবে। জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমাম তার বক্তব্যে মোকাব্বিরের বক্তব্যরে সঙ্গে একমত পোষণ করেন।

বিএনপির রুমিন ফারহানা বলেন, বন্দরে অনিয়ম-দুর্নীতি চলছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ পণ্য ছাড়ে যথেষ্ট সেবা দিতে পারছে না। এরই মধ্যে ভারতকে পণ্য পরিবহনে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এতে দেশটির অনেক সাশ্রয় হবে। বিনিময়ে আমাদের কি আসবে?বিএনপির রুমিন ফারহানার অভিযোগের সমালোচনা করে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ঘুষ-দুর্নীতির কি সমস্যা তা আপনারা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন। আপনাদের একজন পলাতক এবং একজন জেলে। আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছি। এখন আর হাওয়া ভবন নেই, ওই ভবন হাওয়া হয়ে গেছে। যারা চোর অন্যদের বেশি বেশি করে চোর মনে হয়।

প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর মৃতপ্রায় এই বন্দরকে সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং কিছু উদ্যোগ বাস্তবায়ন হয়। কিন্তু পরে জামায়াত-বিএনপি এসে আবার পৃর্বের অবস্থায় নিয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গত ১৩ বছরে এই বন্দরে অনেক উন্নয়ন হয়েছে। পদ্মাসেতু হয়ে গেলে এই বন্দর অনেক গুরুত্বর্পূণ হয়ে উঠবে।

এরআগে জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্ন বলেন, নৌ-পরবিহন প্রতিমন্ত্রী বুড়িগঙ্গা নদীর দখল মুক্ত করেছেন সাহসিকতার সঙ্গে। তিনি অবৈধ দখলমুক্ত করে জায়গা উদ্ধার করে সরকারের অধীনে এনেছেন। জাতীয় পার্টির রওশন আরা মান্নান বলেন, বুড়িগঙ্গা  দখল মুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু এটা আবার দখল হয়ে যেতে পারে। এতো কষ্ট করে দখলমুক্ত করার পর বেদখল না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

 

 

কিউটিভি/আয়শা/৪ঠা এপ্রিল, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ/বিকাল ৪:০০

▎সর্বশেষ

ad