স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত বিদ্যুৎ বিভাগ

admin | আপডেট: ২৩ মার্চ ২০২২ - ০৯:১৫:০৯ পিএম

ডেস্ক নিউজ : দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এবং মুজিববর্ষে শতভাগ বিদ্যুতায়ন সফলভাবে সম্পন্ন করায় বিদ্যুৎ বিভাগকে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২২ প্রদানের জন্য মনোনিত করা হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকালে তেজগাঁওয়ের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা থেকে বিজয়ীদের হাতে এ পুরস্কার দেওয়া হবে। গণভবন প্রান্ত থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বুধবার বিকেলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান তথ্য অফিসার মীর মোহাম্মদ আসলাম উদ্দিন এক বিজ্ঞপ্তিকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘স্বাধীনতা পুরস্কার এটি বিদ্যুৎ বিভাগের জন্য অনেক বড় সাফল্য। অনেক সমালোচকরা বিভিন্নভাবে শতভাগ বিদ্যুতের কাজ থামানোর জন্য বিভিন্নভাবে পরিকল্পনা করেছে ও বাধা দিয়েছে। কিন্তু তার পরও অপ্রতিরোধ্যভাবে প্রধানমন্ত্রী কাজ করে গেছেন। প্রধানমন্ত্রীর অক্লান্ত পরিশ্রমের স্বার্থকতায় আজ স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হলো বিদ্যুৎ বিভাগ। নসরুল হামিদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিদ্যুৎ বিভাগ দেশের শতভাগ ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী সিদ্ধান্ত ও সাহসীকতার কারণেই আজ আমরা শতভাগ বিদ্যুতায়ন করতে পেরেছি।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দেওয়ার কথা রয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের। জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া হয় এই সম্মাননা। উল্লেখ্য, মুজিব জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে দেশের সবচেয়ে বড় অর্জন শতভাগ বিদ্যুৎ। দুর্গম চরাঞ্চল, বিচ্ছিন্ন দ্বীপ থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত পার্বত্য অঞ্চলে পৌঁছে গেছে বিদ্যুতের আলো। তারই ধারাবাহিকতায় নদীর তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে পটুয়াখালীর মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ নিয়ে গড়ে ওঠা দুর্গম চর রাঙ্গাবালীতেও। এভাবে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় এরই মধ্যে দেশের শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় চলে এসেছে।

গত সোমবার পটুয়াখালীতে অবস্থিত দেশের বৃহৎ ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার পায়রা তাপবিদ্যুত কেন্দ্রে সশরীরে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত একযুগ আগে দেশের বিদ্যুৎ সক্ষমতা ছিল মাত্র ৫ হাজার মেগাওয়াট। বর্তমানে তা পাঁচগুণ বেড়ে ২৫ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে। মাথাপিছু বিদ্যুতের ব্যবহার বেড়ে ৫৬০ কিলোওয়াট পার আওয়ারে দাঁড়িয়েছে। বিদ্যুতের সিস্টেম লস ১৫ শতাংশ থেকে ৮ শতাংশে নেমে এসেছে। বিদ্যুৎ সেবার আওতায় এসেছে দেশের সব জনগোষ্ঠী।  

 

 

কিউটিভি/আয়শা/২৩শে মার্চ, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ/রাত ৯:১৪

▎সর্বশেষ

ad