‘বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর অবদান ধ্রুবতারার মতো উজ্জ্বল’

admin | আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২২ - ০৭:৩৩:১৫ পিএম

ডেস্ক নিউজ : বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান ধ্রুবতারার মতো উজ্জ্বল বলে আখ্যায়িত করেছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। তিনি বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শিকল ভাঙার গান গেয়ে বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার মূলমন্ত্রে উজ্জীবিত করেছিলেন। স্বাধীন, সোনার বাংলাদেশ উপহার দিয়েছিলেন বলেই জন্মশতবর্ষে সব বাঙালি তাকে ভালোবাসার অর্ঘ্য প্রদানের মাধ্যমে স্মরণ করছে।

আজ বৃহস্পতিবার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্পিকার। অনুষ্ঠানে ‘মুজিব শতবর্ষে জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি প্রকাশিত গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব’,  প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের ‘বঙ্গবন্ধু স্কলার বৃত্তি ২০২১ প্রদান’ এবং ১০০ দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কুইজের পুরস্কার বিতরণ ও সনদ বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে বঙ্গবন্ধু স্কলার, শেখ মুজিব কুইজ বিজয়ী এবং আয়োজন সহযোগীদের মধ্যে পুরস্কার ও ক্রেস্ট বিতরণ করেন স্পিকার। অনুষ্ঠানে স্পিকার বলেন, জাতির পিতার সংগ্রামী ও রাজনীতি জীবন, স্বাধীন বাংলাদেশ সৃষ্টিতে তার অবদান এবং সুমহান আত্মত্যাগের ওপর প্রকাশিত বস্তুনিষ্ঠ ও গবেষণাধর্মী গ্রন্থগুলো পাঠককে আগ্রহী ও কৌতূহলী করবে। একইভাবে যারা বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন, আদর্শ ও দর্শন নিয়ে গবেষণা করবেন কিংবা বাংলাদেশের অভ্যুদয় ও স্বাধীনতা সংগ্রাম নিয়ে চর্চা করবেন, তাদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরো বলেন, মুজিববর্ষের অনন্য দিক হলো বঙ্গবন্ধু স্কলার নির্বাচন ও বৃত্তি প্রদান। এই ধারাবাহিকতা চলমান থাকলে আগামী দিনের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে বঙ্গবন্ধু স্কলাররা আলোকবর্তিকা হাতে নিয়ে এগিয়ে আসবে। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, আন্তর্জাতিক প্রকাশনা ও অনুবাদ উপ-কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. ফখরুল আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শুরুতে মুজিববর্ষের থিম সংগ ‘তুমি বাংলার ধ্রুবতারা, হৃদয়ের বাতিঘর’ পরিবেশিত হয়।

উল্লেখ্য, মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে জাতির পিতার জীবন ও কর্ম সর্ম্পকে তরুণ প্রজন্মকে জানানোর উদ্দেশে একশ’ দিনব্যাপী ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কুইজ’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। ২০২০ সালের পহেলা ডিসেম্বর হতে ২০২১ সালের ১০ মার্চ পর্যন্ত অনলাইনে আয়োজিত এই কুইজ প্রতিযোগিতায় নিবন্ধন করেন ১৫ লাখ ৭৬ হাজার প্রতিযোগী। বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ এই অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতায় ১০ হাজারের বেশি ব্যক্তি পুরস্কৃত হয়েছেন। আর চূড়ান্ত বিজয়ী ১০ জনের হাতে ল্যাপটপ এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর করা সার্টিফিকেট তুলে দেন স্পিকার। বাকীদের পুরস্কার যার যার ঠিকানায় পাঠিয়ে দেওয়ার কথাও অনুষ্ঠানে জানানো হয়।

 

 

কিউটিভি/আয়শা/২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ/সন্ধ্যা ৭:২৯

▎সর্বশেষ

ad