মানবতাকে ঋণী করেছেন মুহাম্মদ (সা.)

admin | আপডেট: ০৬ জানুয়ারী ২০২২ - ০৬:০৫:২৪ পিএম

ডেস্ক নিউজ : ইসলাম যে কত বড় নিয়ামত আরব উপদ্বীপকে তা জানতে হবে, অকৃতজ্ঞ হওয়া যাবে না। আপনারা আমাকে স্পষ্ট ভাষায় বলার অনুমতি দিন—সেই মহান নিয়ামতের সামনে আরব উপদ্বীপের কখনোই অকৃতজ্ঞ হওয়া উচিত নয়, যে যে নিয়ামত আরবদের এই উপদ্বীপকে বের করেছে অখ্যাতি ও আত্মহননের জগৎ থেকে বের করেছে সেই নিকৃষ্ট ও কুৎসিত জাহেলিয়াত থেকে যা ছিল অজ্ঞতা ও তুচ্ছতার গভীর সাগরে নিমজ্জিত। ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, মুহাম্মদ (সা.)-এর আবির্ভাব এই আরব উপদ্বীপকে শূন্য থেকে বের করে সব কিছুর মেলায় বসিয়েছে। এই উপদ্বীপে আজ কল্যাণকর যা কিছুই এসেছে, সবই মুহাম্মদ (সা.)-এর আবির্ভাবের বদৌলতে এসেছে। এই মুহূর্তে আমার মনে পড়ছে ইসলামের কবি ড. মুহাম্মদ ইকবালের একটি কবিতা। ড. মুহাম্মদ ইকবাল হচ্ছেন ইসলামী বুদ্ধিমত্তা ও বীরত্বের ভাষ্যকার। তিনি বলেন, ‘নবীয়ে উম্মি মুহাম্মদ (সা.)-এর সুবাতাস প্রবাহিত হলো। তাঁর পবিত্র মুখ, যা ওহি ছাড়া কোনো কথাই বলে না; তা থেকে গড়িয়ে পড়ল জীবনের এক ফোঁটা পানি। অতঃপর জন্ম নিল রকমারি ফুলের বাগান, সৃষ্টি হলো ফুলে ফলে ভরা মরূদ্যান। ফলে গোটা আরব সাহারায় বয়ে গেল মন মাতানো সৌরভ।’

সুতরাং আমার ভাইয়েরা, আপনারা নিজেদের মূল্যায়ন করুন। দূর অতীতে ফিরে দেখুন, বরং বেশি দূরে যেতে হবে না। নিকট-অতীতে ফিরে তাকান ১৪টি শতাব্দীর ব্যাপার। বিশেষ বড় কোনো জটিল ব্যাপার নয়। নিকট-অতীতে ফিরে তাকালেই চলবে। আরব উপদ্বীপ কোথায় ছিল? কোথায় ছিল আরব জাতি? কোথায় ছিল এসব রাজ্য? কোথায় ছিল সৌদি আরব? আল্লাহ এ দেশকে যাবতীয় ফিতনা-ফ্যাসাদ থেকে রক্ষা করুক। পাকিস্তান ও ইরান কোথায় ছিল? কোথায় ছিলাম আমরা? আজ আমরা এই মহতী অনুষ্ঠানে একত্র হয়েছি, সিরাতুন্নবী (সা.)-এর অনুষ্ঠানে, প্রিয় নবী (সা.)-এর সুন্নতের আলোচনায় জমায়েত হয়েছি। না, আল্লাহর কসম! যদি হাজার বছরও অতিবাহিত হতো, যারা স্বপ্নদ্রষ্টা তারা যতই স্বপ্ন দেখুক, যতই কবিরা কবিতা লেখুক, সাহিত্যিকরা বই লেখুক এবং গণকরা যতই ভবিষ্যদ্বাণী করুক না কেন…এই আরব জাতি এবং এই আরব উপদ্বীপের ভাগ্যে বিজয় কেতন ওড়ানো সম্ভব হতো না, তাদের কথাও কেউ শুনত না, যদি মুহাম্মদ (সা.)-এর আবির্ভব না হতো।

ভাষান্তর : মুহাম্মদ সাদিক হুসাইন

 

 

কিউটিভি/আয়শা/৬ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ/সন্ধ্যা ৬:০৪

▎সর্বশেষ

ad