
ডেস্ক নিউজ : কক্ষে ঢুকেই চেয়ারে নয়; তিনি চেয়ে থাকলেন নাম ফলকের বোর্ডে। আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে বললেন “এই বোর্ডের সোনালী অক্ষরে লেখা নামটি কেবল আমার বাবার পরিচয় নয়, এটি আমার জন্য এক বিশাল দায়িত্বের অঙ্গীকার। যেখানে আমার বাবা সেবা দিয়েছেন, আজ সেই স্থানেই দাঁড়িয়ে আমি গর্বিত। বাবার নামটির নিচে নিজের নাম লিখতে পারা আমার জীবনের বড় অর্জন। বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করে দেশসেবায় নিজেকে সঁপে দিতে চাই। দোয়া করবেন।
মঙ্গলবার দুপুর থেকে অফিস শুরু করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড এম এ মুহিত। বিএনপি থেকে নির্বাচিত পিএইচডি ডিগ্রীধারী উচ্চ শিক্ষিত প্রার্থীদের একজন তিনি। সিরাজগঞ্জ ৬ শাহজাদপুর আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ছাড়াও তিনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং ডাক ও তার ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী।
প্রতিমন্ত্রী ড এম এ মুহিত বলেন, জনসেবার এক বিশাল দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিলাম! সততা ও নিষ্ঠার সাথে দেশের মানুষের কল্যাণে ব্যয় করতে পারি।” ড. এম এ মুহিতের বাবা রাজনীতিবিদ ড এম এ মতিন। মতিন জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভার স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন। জিয়ার মৃত্যুর পর বিচারপতি আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর দায়িত্ব পান তিনি। শিক্ষা, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন তিনি।
সর্বশেষ সরকারে উপপ্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি। ২০০১ সালের নির্বাচনে এম এ মতিন চারদলীয় জোটের ব্যানারে সিরাজগঞ্জ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ওই সংসদে পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ছিলেন তিনি। এম এ মতিন ’৭৯, ’৮৬, ’৮৮, ’৯৬ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদের সদস্য ছিলেন।
খোরশেদ/১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,/বিকাল ৩:১২






