
ডেস্ক নিউজ : ইসলাম এ বিষয়ে আমাদের সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছে। কোরআন ও হাদিসের আলোকে আমরা এমন দশটি পরীক্ষিত পদ্ধতি পেশ করছি, যা কুদৃষ্টির আসক্তি থেকে মুক্তি লাভে সাহায্য করবে। পবিত্র জীবনযাপন সহজ করবে।
দৃষ্টি অবনত রাখার অভ্যাস গড়ে তোলা
কুদৃষ্টির বিরুদ্ধে প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধ হল নিজের দৃষ্টি অবনত রাখা। আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, মুমিনদেরকে বলে দিন, তারা যেন নিজেদের দৃষ্টি অবনত রাখে। (সুরা নুর: ৩০) তাই কোনো ভুল হলে ইসতেগফার করুন আর দৃষ্টি ফিরিয়ে নিন। অভ্যাসটি জীবনের অংশ বানিয়ে ফেলুন।
জিকিরের প্রতি গুরুত্ব দেয়া
রাস্তাঘাটে চলাফেরার সময় আল্লাহর জিকির হৃদয়ে শান্তি আনে, শয়তানের প্রবৃত্তি প্রতিহত করে। যেমন কোরআনে বলা হয়েছে, ‘যারা আল্লাহকে ভয় করে, শয়তান তাদের ঘিরে ধরলেও তারা আল্লাহর কথা স্মরণ করে।’ (সুরা আরাফ: ২০১)
যখনই গুনাহের ইচ্ছা জাগবে, মনে রাখুন, আল্লাহ আপনাকে দেখছেন। সে কি জানে না যে আল্লাহ দেখতে পাচ্ছেন? (সুরা আলাক: ১৪) তাই পৃথিবীর যেখানেই যাই না কেনো আমাদের আল্লাহ তাআলা ঠিকই দেখছেন। তুমি সেখানে গিয়ে গুনাহ কর, যেখানে আল্লাহ তোমাকে দেখবে না।
নফসকে সংযত রাখতে নিজের মা-মেয়ে কিংবা নিকটতম নারীদের সম্পর্কে চিন্তা করুন এবং তাদের সম্মানের কথা ভাবুন। এতে প্রবৃত্তির তাড়না দমন করা সহজ হবে। কুৎসিত চিত্র কল্পনা করতে হবে। প্রবৃত্তির তাড়না কমাতে কুৎসিত কোনো ব্যক্তির চিত্র কল্পনা করুন বা ভাবুন, মৃত্যুর পর প্রাকৃতিক অবস্থা কী হবে। এতে অন্তর থেকে আকর্ষণ দূর হবে।
বিবাহিত জীবনে প্রেম ও ভালোবাসা বজায় রাখুন। কুরআন নির্দেশ দিয়েছে, যাতে তাদের কাছে স্বস্তি লাভ কর। (সুরা রূম: ২১) আল্লাহর সান্নিধ্যের অনুভূতি সৃষ্টি করা প্রতিদিন নামাজের পর চিন্তা করুন, তোমরা যেখানেই থাকো, তিনি তোমাদের সঙ্গে আছেন। (সুরা হাদিদ: ০৪) এভাবে আল্লাহর ভয় অন্তরে গেঁথে নিন।
কিউটিভি/আয়শা/১৬ ডিসেম্বর ২০২৪,/বিকাল ৩:৪৫





