ব্রেকিং নিউজ
শহীদ হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন মমতা খলিলুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হলেন ড. খলিলুর রহমান আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনের সহ-সভাপতি নির্বাচিত বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ রামিসার গোপনাঙ্গ ছুরি দিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলে সোহেল এলডিসি উত্তরণ প্রস্তুতিকাল ২০২৯ পর্যন্ত বাড়াতে সিডিপির ইতিবাচক সুপারিশ এলপি গ্যাসের দাম কমল, সন্ধ্যা থেকে কার্যকর ‘আপনি পাগল, এখন সবাই আপনাকে ঘৃণা করে’, নেতানিয়াহুকে বললেন ট্রাম্প ব্যাটারিচালিত রিকশা মহানগর এলাকার বাইরে নেওয়ার চিন্তাভাবনা চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

টুম্পা পাল এর কলামঃ ফেসবুকের ফসল

superadmin | আপডেট: ১২ জুন ২০২৪ - ১২:৫০:৪৩ এএম

 ফেসবুকের ফসল
———————–
আমার এই “বাংলাদেশ ভারত ভ্রমণ ” বইটা ফেসবুকের ফসল। আর যেই মানুষটা এর বীজ পুঁতেছিলেন তিনি একজন বহুমাত্রিক লেখক, সাংবাদিক এবং একজন উদার মনের মানুষ নাসিম আনোয়ার । তাঁর একটি কথা আমার জীবনে ম্যাজিকের মত কাজ করেছে। তাঁর সাথে ফেসবুকে যখন আমার প্রথম আলাপ হয়, তখন তিনি আমার প্রোফাইল দেখে মেসেঞ্জারে দু-চারটে লাইন লিখেছিলেন। লাইন গুলো ঠিক এইরকম, “দিদি আপনি শুধু কবিতায় না থেকে গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ লিখুন, সমাজ আপনার কাছ থেকে অনেক কিছু পাবে।”

এই কথাটাই আমার লেখার ধরণ, গতি বদলে দিয়েছে। তখন শুধু আমি কবিতায় ডুবে ছিলাম, সঙ্গে কিছু গল্প ও প্রবন্ধ লিখেছি এবং একটি উপন্যাস শুরু করেছিলাম । অবশ্যই সেগুলো কোন বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে নয়। আমি নিজের টাকা দিয়ে বই ছাপিয়ে ঘরে রাখার পক্ষপাতি নই। আমার সব লেখা আমি প্রিন্ট করে ঘরে গুছিয়ে রাখি। ওটাই আমার পান্ডুলিপি, ওটাই আমার বই বলে আমি মনে করি। এটা আমার অহংকার নয়, বরং আমি মনে করি আমার যোগ্যতা না থাকলে নাইবা হল।

 

সাহিত্য চর্চায় টুম্পা পাল এর অনুপ্রেরণা দাতা : নাসিম আনোয়ার।

এর আগেও দুবার বই প্রকাশ হতে হতে হয়নি। হয়তো তা হওয়ার ছিলনা। অনেক অভিমান নিয়ে ১৫ বছর কবিতা থেকে দূরে থেকেছি। তারপর ফেসবুকে এসে এক পা, দুপা করে এগিয়েছে। অবশ্যই আপনাদের ভালোবাসা ও উৎসাহের জন্যই এতটুকু এগিয়ে আসা। যখনই আমি নাসিম আনোয়ার সাহেবকে বই প্রকাশের কথা বলেছি। উনি বলেছেন নিজের কাজ করে যান। সময় হলে ঠিক ফল পাবেন।

তাঁর পরামর্শেই এই ভ্রমণ বিষয়ক কাজটি শুরু করি। তাঁরই সহযোগিতায় এই বইটি বাংলাদেশ থেকে প্রকাশ পেতে যাচ্ছে। আমি আমার একটা ভাল কাজ করার চেষ্টা করেছি। এবার পাঠকের ভালোবাসা পেলেই এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। এটা শুরু না, এটাই শেষ তা অবশ্যই পাঠকের ওপর নির্ভর করবে। আগামীর জন্য আরো কিছু নতুন ধরনের কাজ করছি।

এই কাজটি করার সময় তাঁর লেখা “বাংলাদেশ ভ্রমণ ” বইটি আমি ভারতের বাংলাদেশ বই মেলা থেকে সংগ্রহ করেছিলাম। তাঁর লেখা আরো কয়েকটি বই নেওয়ার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু সেই মুহূর্তে পাইনি। অনলাইনে অর্ডার করার চেষ্টা করেছিলাম । কিন্তু ব্যর্থ হয়েছি। দুই বাংলার পাঠকদের স্বার্থে অনলাইন বই বিক্রেতাদের এই বিষয়ে একটু নজর দেওয়া উচিত, তার সাথে সরকারকেও একটু নমনীয় হওয়া উচিত।

বলার অনেক কিছুই থাকে। আবার অন্য কোন সময়। সবাই ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন। আপনাদের স্নেহ ও ভালোবাসা আমার চলার পথ প্রশস্ত করুক এই কামনা করি।

 

লেখিকাঃ টুম্পা পাল পশ্চিমবঙ্গ, ভারতের একজন কাব্য প্রিয় মানুষ। রবীন্দ্রভারতী থেকে এমএ (বিষয় :এডুকেশন) পাশ করেছেন। পেশায় একজন গৃহবধূ। কবিতা, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ সবকিছুই লিখে থাকেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর লেখনী ব্যাপক পাঠক প্রিয়। বিশেষ করে বাংলাদেশে তিনি ব্যাপক পরিচিতা। আগামী বইমেলায় বাংলাদেশ-ভারত ভ্রমণ বিষয়ক তথ্য নির্ভর একটি গ্রন্থ প্রকাশনার অপেক্ষায়। এরই আলোকে তিনি এই লেখাটি তাঁর ফেসবুক টাইমলাইনে পোস্ট করেছেন। অনুমতি স্বাপেক্ষে পোস্টটি প্রকাশ করা হলো।

 

 

কিউটিভি/ আয়েশা /১১.০৬.২০২৪ খ্রিস্টাব্দ/ রাত ১১.৪৫

▎সর্বশেষ

ad