
স্বাস্থ্য ডেস্ক : শীতকালে স্ট্রোক বেশি হওয়ারও ঝুঁকি রয়েছে। অন্য সময়ের চেয়ে শীতকালে স্ট্রোক বেশি হয়। ব্লাড মাসল স্বাভাবিক থাকার জন্য যে তাপমাত্রা প্রয়োজন শীতকালে তা থাকে না। এ কারণে শীতে ব্যথার জায়গায় গরম সেক দেয়ার কথা বলা হয়।
শীতে রক্ত সঞ্চালন কিছুটা কমে। তার ফলে শরীরে অক্সিজেন প্রবাহের মাত্রাও কমে। তাতে ব্যথা বেড়ে যায়। এই সময়ে শরীর শুকিয়ে যায়, ডিহাইড্রেশন হয়। পেশির নমনীয়তাও কমে। তাতেও ব্যথার মাত্রা বাড়ে। শীতকালে গায়ে রোদ কম পড়ে। ফলে শরীরে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি হয়। এই ঘাটতিও ব্যথার অন্যতম কারণ।
শীতে ব্যথা কমানোর উপায়-
১. শীত এলে গরম পোশাক পরে থাকুন। ঘরে-বাইরে দুই জায়গাতে এটি আপনাকে শীত ও ব্যাথার হাত থেকে মুক্ত রাখবে।
২. গাঁটে গাঁটে প্রচণ্ড ব্যথা হলে ‘হট ওয়াটার ব্যাগ’ ব্যবহার করতে পারেন এই ব্যথা কমে যাবে। তবে এটি ব্যবহার করা আপনার জন্য ঠিক কি না, চিকিৎসকের থেকে জেনে নিতে হবে আগেই।
৩. শীতকালে খাদ্য তালিকায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘ডি’ রাখতে হবে। পারলে শরীরে রোদ লাগান।
৪. শরীরচর্চা শরীরের অঙ্গ সচল রাখে। তাই দিনের একটা নির্দিষ্ট সময় শরীরচর্চা করুন। নিয়মিত শরীরচর্চা পেশির নমনীয়তা বাড়িয়ে দেয়। ব্যথার আশঙ্কাও কমে।
৫. ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ খাবার যেমন: লেবু, ফুলকপি, স্ট্রবেরী রাখতে পারেন খাবারের মেন্যুতে।
৬. পর্যাপ্ত পানি খেতে হবে এই সময়। পেশি বা গাঁটের ব্যথার বড় কারণ শরীর শুকিয়ে যাওয়া। বেশি করে পানি খান এই সময়ে। দিনে কমপক্ষে তিন থেকে চার লিটার। তাতে ব্যথা কমবে।
কিউটিভি/আয়শা/০২ ডিসেম্বর ২০২৩,/রাত ৮:৫২





