
ডেস্ক নিউজ : রাজধানীর নয়াপল্টনে মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের দুই শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে দলটি। এর মধ্যে যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুক, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েলসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারাও রয়েছেন।
বিএনপির দপ্তর থেকে জানানো হয়, তাদের শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশ শুরু হওয়ার ঘণ্টাখানেক পর কাকরাইল ও পল্টন মোড় থেকে হঠাৎ হামলা চালানো হয়। পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেডে এসব নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মহাসমাবেশে হামলার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও বিএনপির দপ্তর জানিয়েছে। রোববার বিকালে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সমাবেশ করার কথা ছিল বিএনপির। তাদের সমাবেশস্থলের দুই কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে সমাবেশ করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।
সমাবেশকে কেন্দ্র করে কাকরাইল মোড় এলাকায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় বিএনপি নেতাকর্মীদের। বিএনপি নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। পরবর্তীতে নয়াপল্টন দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকেও সমাবেশের জন্য জড়ো হওয়া বিএনপি নেতাকর্মীদের সরিয়ে দেয় পুলিশ।
নয়াপল্টনে বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশে আওয়ামী লীগ ও পুলিশের হামলার প্রতিবাদে আগামীকাল রোববার সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালন করা হবে বলে জানিয়েছেন দলটির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। একইদিন সারা দেশে ‘শান্তি সমাবেশ’ করবে আওয়ামী লীগ। শনিবার বিকালে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ ফটকে আওয়ামী লীগের ‘শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ’ থেকে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
কিউটিভি/আয়শা/২৮ অক্টোবর ২০২৩,/সন্ধ্যা ৭:১২






