একদিনে এত মৃত্যু আর দেখেনি গাজাবাসী

uploader3 | আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২৩ - ০২:৫৬:৪৯ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় সাতশর বেশি ফিলিস্তিনি মারা গেছে যাদের বেশিরভাগ নারী ও শিশু। গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি মুক্তিকামী সংগঠন হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটি একদিনে সর্বোচ্চ প্রাণহানির ঘটনা। মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) গাজার হামাস নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী হাসপাতাল, আশ্রয়কেন্দ্র এমনকি মসজিদেও বিমান হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।

এদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, গাজার চারশোটি ‘সন্ত্রাসী লক্ষ্যবস্তুতে’ হামলা করেছে তারা এবং কয়েকজন হামাস কমান্ডারকে হত্যা করেছে।

তারা আরও বলেছে যে, হামাস নতুন করে দুজন জিম্মিকে মুক্তি দেয়ার পরেও হামলার মাত্রা কমাবে না ইসরায়েল।

জানা গেছে, এই সংঘাত শুরুর পর থেকে একদিনে এতো মৃত্যু আগে দেখেনি গাজাবাসী। এরমধ্য দিয়ে ফিলিস্তিনে নিহতের বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার সাতশ এর বেশি। আহত ১৬ হাজারের বেশি।

এদিকো গাজায় ত্রাণ সরবরাহের জন্য একটি নিরাপদ ও টেকসই ব্যবস্থা তৈরি আহ্বান জানিয়েছ জাতিসংঘের সাহায্য সংস্থাগুলো।

জ্বালানি, বিদ্যুৎ, ঔষধ, পানি ও কর্মী সংকটের কারণে গাজায় জরুরি বিভাগ ছাড়া বাকি সব বিভাগের কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে হাসপাতালগুলো।

একদিনে এত মৃত্যু আর দেখেনি গাজাবাসী

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় সাতশর বেশি ফিলিস্তিনি মারা গেছে যাদের বেশিরভাগ নারী ও শিশু। গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি মুক্তিকামী সংগঠন হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটি একদিনে সর্বোচ্চ প্রাণহানির ঘটনা। মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) গাজার হামাস নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী হাসপাতাল, আশ্রয়কেন্দ্র এমনকি মসজিদেও বিমান হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।

এদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, গাজার চারশোটি ‘সন্ত্রাসী লক্ষ্যবস্তুতে’ হামলা করেছে তারা এবং কয়েকজন হামাস কমান্ডারকে হত্যা করেছে।

তারা আরও বলেছে যে, হামাস নতুন করে দুজন জিম্মিকে মুক্তি দেয়ার পরেও হামলার মাত্রা কমাবে না ইসরায়েল।

জানা গেছে, এই সংঘাত শুরুর পর থেকে একদিনে এতো মৃত্যু আগে দেখেনি গাজাবাসী। এরমধ্য দিয়ে ফিলিস্তিনে নিহতের বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার সাতশ এর বেশি। আহত ১৬ হাজারের বেশি।

এদিকো গাজায় ত্রাণ সরবরাহের জন্য একটি নিরাপদ ও টেকসই ব্যবস্থা তৈরি আহ্বান জানিয়েছ জাতিসংঘের সাহায্য সংস্থাগুলো।

জ্বালানি, বিদ্যুৎ, ঔষধ, পানি ও কর্মী সংকটের কারণে গাজায় জরুরি বিভাগ ছাড়া বাকি সব বিভাগের কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে হাসপাতালগুলো।

কিউটিভি/অনিমা/২৫ অক্টোবর ২০২৩,/দুপুর ২:৫৬

▎সর্বশেষ

ad