
লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় নানা রকম উপাদানের মধ্যে একটি হলো সোডিয়াম। তবে অত্যধিক পরিমাণে সোডিয়াম শরীরে প্রবেশ করলে হিতেবিপরীত হতে পারে। কম বয়সেও স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাকের কারণে অকালমৃত্যুর ঘটনা ঘটে। সে কারণে স্বাস্থ্যসচেতন অনেকেই খাবারে লবণ কম খাওয়ার অভ্যাস করেন।
চিকিৎসেকরা বলছেন, খুব বেশি লবণ কম খেলে হঠাৎ রক্তচাপ কমে বা শরীরে পটাশিয়াম, সোডিয়ামের মতো প্রয়োজনীয় উপাদানের ঘাটতি থাকলেও সমস্যা হতে পারে। এমনকী মৃত্যুর শঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
১. ইনসুলিন রেজিসট্যান্স বেড়ে যেতে পারে
খাবার খাওয়ার পর ইনসুলিন হরমোনের সঙ্কেত পেয়েও রক্ত থেকে গ্লুকোজ, অন্যান্য পুষ্টিগুণ শোষণ করতে পারে না দেহের কোষগুলো। ফলে ইনসুলিনের রেজিসট্যান্স বেড়ে যায়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, লবণ কম খেলে বা একেবারেই না খেলেও রক্তে ইনসুলিন রেজিসট্যান্সের ক্ষমতা কমে বেড়ে যেতে পারে। ফলে টাইপ ২ ডায়াবেটিস, হার্টের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।
২. হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা বেশি
রক্তে সোডিয়ামের অভাবে হৃদযন্ত্র কাজ করা বন্ধ করে দিতে পারে। শরীরের দূষিত রক্ত পাম্প করে পরিস্রুত রক্ত শরীরে ছড়িয়ে দেওয়ার কাজে বাধা পড়লেই প্রাণের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
৩. হাইপোনেট্রিমিয়া হওয়ার আশঙ্কা বেশি
রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা কমে গেলে শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে যেতে পারে। বাড়াবাড়ি পর্যায়ে পৌঁছলে কোমার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। চিকিৎসা পরিভাষায় যা হাইপোনেট্রিমিয়া নামে পরিচিত। তবে শুধু খাবারে লবণ কম খাওয়া নয়, বেশি পানি খেলেও কিন্তু একই রকম সমস্যা হতে পারে।
৪. খারাপ কোলেস্টেরল বেড়ে যেতে পারে
দীর্ঘ দিন ধরে লবণ কম খেলে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, লবণ কম খাওয়া, অতিরিক্ত স্বাস্থ্যসচেতন মানুষদের মধ্যে এলডিএল এবং ট্রাইগ্লিসারাইডের পরিমাণ যথাক্রমে ৪.৬ এবং ৫.৯ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
৫. ডায়াবেটিস থাকলে ভয় বেশি
দীর্ঘ দিন ধরে ডায়াবেটিসের সমস্যায় ভুগছেন, এমন মানুষদের রক্তে হঠাৎ সোডিয়ামের মাত্রা কমে গেলে বিপদের আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি।
কিউটিভি/আয়শা/০৭ অক্টোবর ২০২৩,/বিকাল ৪:৩৩






