কারো কথায় কষ্ট পেলে মহানবী (সা.) যা করতেন

Ayesha Siddika | আপডেট: ০৪ অক্টোবর ২০২৩ - ০৫:২৮:৩৩ পিএম

ডেস্ক নিউজ : আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘যে মুমিন মানুষের সঙ্গে মেশে এবং তাদের পক্ষ থেকে পাওয়া কষ্টের ওপর সবর করে, সে ওই মুমিনের চেয়ে উত্তম, যে মানুষের সঙ্গে মেশে না এবং তাদের দেওয়া কষ্টের ওপর সবর করে না।’ (আদাবুল মুফরাদ, হাদিস : ৩৮৮)

আলোচ্য হাদিসে মুমিনদেরকে মানুষের আচরণে কষ্ট পেলে ধৈর্যধারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষত যারা দ্বিনি দাওয়াতের কাজ করে, তারা আল্লাহর জন্য হাসিমুখে মানুষের কটূক্তি ও মন্দ কথা হজম করবে। তারা যদি মন্দ কথা শোনার পরও মানুষের সঙ্গে মেশে তাহলে আল্লাহ তাদের ত্যাগ ও শ্রম কবুল করে নেবেন।

এই হাদিস থেকে জানলাম, কটূক্তি সহ্য করা আল্লাহর একটি গুণ। তিনি তাঁর কটূক্তিকারীদের তাওবার সুযোগ দেন এবং তাদের পার্থিব জীবনকে বাধাগ্রস্ত করেন না। আল্লাহর এই গুণটি তাঁর প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর মধ্যেও বিদ্যমান ছিল। তিনি আপন ও শত্রু—সবার মন্দ কথা সহ্য করতেন। দীর্ঘ এক হাদিসে এসেছে, ‘একবার রাসুলুল্লাহ (সা.) কিছু জিনিস (যুদ্ধলব্ধ সম্পদ) বণ্টন করলেন, যেমন বিভিন্ন সময় তিনি বণ্টন করতেন।

এরপর রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, মুসা (আ.)-কে এর চেয়ে বেশি কিছু দ্বারা কষ্ট দেওয়া হয়েছে। তিনি সবর করেছেন। সুতরাং আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে কখনো যদি কাছের বা দূরের কারো কথায় কষ্ট পাই, তাহলে আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় আমরা ধৈর্য ধারণ করব। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ধৈর্যশীল হিসেবে কবুল করুন। আমিন।

 

 

কিউটিভি/আয়শা/০৪ অক্টোবর ২০২৩,/বিকাল ৫:২৫

▎সর্বশেষ

ad