
লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : সর্দি-কাশি হলেই মনে পড়ে রান্নাঘরে থাকা আদার থা। তবে জানলে অবাক হবেন আদার গুণাগুণ কিন্তু শুধুমাত্র ঠান্ডার হাত থেকে শরীরকে বাঁচানোতেই সীমাবদ্ধ নয়। ঠাণ্ডার মহাঔষধ আদার রয়েছে আরও উপকার। আদায় রয়েছে পটাশিয়াম, আয়রণ, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালশিয়াম, ফসফরাস, সোডিয়াম, জিংক, ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন এ, বি৬, ই ও সি এবং অ্যান্টি–ব্যাকটেরিয়াল এজেন্ট ও অ্যান্টি–ইনফ্লামেটরি এজেন্ট।
পুষ্টিবিদদের মতে, আদা দেওয়া চায়ের অনেক গুণ রয়েছে। আদার মধ্যে উপস্থিত অ্যান্টি ইনফ্লেমটরি বমি বমি ভাব, হজমের সমস্যা, এমনকি ঋতুস্রাবের সমস্যার মতো একাধিক সমস্যায় কার্যকরী।
আদায় মিলবে যেসব রোগের উপকার
ওজন কমাতে
আদার মধ্যে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য ওজন কমাতেও সাহায্য করে। সেই সঙ্গে আদার মধ্যে কোলেস্টেরলের পরিমাণও খুবই কম। ফলে ওজন কমার সঙ্গে সঙ্গে পেটের মেদও ঝরতে শুরু করে। তাই অতিরিক্তি ওজন ঝেড়ে ফেলতে চাইলে ডায়েটে সামিল করুন আদা। এছাড়া নিয়মিত আদা সেবন করলে শরীর থেকে খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করতে পারে। আদার মধ্যে থাকা বিশেষ উপাদান রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের পরিমাণ কমায়।
ডায়াবেটিসে কার্যকরী
ডায়াবেটিসে যারা ভুগছেন তাদের জন্যও আদা উপকারী। আদা খেলে শরীরের রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়। টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আদা খাওয়া সবচেয়ে ভাল। এছাড়া আদা খেলে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস হয় না।
হৃদরোগ
হৃদরোগের বিভিন্ন উপায় আছে প্রাকৃতিক উপায়ে নিরাময়ের জন্য। যাঁদের হৃদরোগ আছে কিন্তু উচ্চরক্ত চাপ নেই, তারা দুবেলা এক চা–চামচ করে আদার রস, লেবুর রস ও মধু এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে খাবেন। সেই সঙ্গে গ্যাসজনিত সমস্যা থাকলে সাত দিন এক চা–চামচ আদার রস গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে ছয় থেকে সাতবার খাবেন। ধৈর্যসহ নিয়মিত এ নিয়মে চললে হৃদ্রোগের সমস্যা দূর হতে থাকবে।
হজমে সাহায্য করে আদা
আদা খেলে পরিপাকতন্ত্রও সুস্থ রাখা যায়। আদার সাহায্যে খাবার সহজে হজম হয়। ফলে বদহজমের ভয় থাকে না। নিয়মিত আদা খেলে পেট ব্যথা, ঠান্ডা লাগা, ফোলাভাব এবং বমির মতো সমস্যা এড়ানো যায়।
ঋতুস্রাবের সমস্যায়
ঋতুস্রাবের সময় পেটে ব্যথায় ভোগেন অনেক মেয়েরাই। এক্ষেত্রে, আদা প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখলে পিরিয়ডের ব্যথায় উপশম পেতে পারেন।
কিউটিভি/আয়শা/০৩ অক্টোবর ২০২৩,/সন্ধ্যা ৬:২৪






