ডেস্ক নিউজ : কেবল চাহিদার বিপরীতে জোগান স্বাভাবিক থাকলেই দীর্ঘ সময় ধরে বাজারে দামের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব; আর ভারসাম্যপূর্ণ বাজারেই সম্ভব পরিকল্পনামতো ব্যবসা পরিচালনা করা। অর্থনীতির এই সাধারণ তত্ত্বকেই এবার মুরগির বাজারে কাজে লাগাতে চায় প্রাণিসম্পদ অধিদফতর। যেখানে প্রথম ধাপে ঠিক করা হবে প্রতি সপ্তাহে একদিন বয়সি বাচ্চার চাহিদার হিসাব।


চাহিদা ও জোগানের হিসাব সঠিক হলে লাভ-ক্ষতির খাতায় লোকসানি হিসাব কমবে। এমন দাবি করে ব্রিডার্স অ্যাসোসিয়েশন বলছে, তারাও চান বাজার চাহিদা মেনেই সরবরাহ নিশ্চিত করতে। এজন্য সক্ষমতার অনুপাতে উৎপাদন কমানো হবে আবার দরকার হলে একইভাবে বাড়ানো হবে যোগান। ব্রিডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান বলেন,
এখন পরিকল্পনা হচ্ছে, আমরা এই নীতি চূড়ান্তভাবে বাস্তবায়নের দিকে এগোবো। আমরা এখন দেখেছি, আমাদের কাছে যদি সারা বছরের বিভিন্ন সময়ে প্রতি সপ্তাহে ১ কোটি ৩০ লাখ থেকে ১ কোটি ৫০ লাখ পর্যন্ত মুরগির বাচ্চা থাকে, তাহলে দেশের অভন্ত্যরীণ বাজার স্থিতিশীল থাকবে। সারা দেশে আমাদের সক্ষমতা দুই কোটির ওপরে। তাই আমরা বলছি আমরা সবাই একটু কমিয়ে আনবো এবং এই কমিয়ে আনবো যার যার সক্ষমতা অনুসারে। যার সক্ষমতা বেশি সে বেশি কমাবে এবং যার কম সে কম কমাবে। অর্থাৎ, আনুপাতিক হারে এগুলো কমানো হবে। সবার জন্যই একই নীতি করা হবে।
এমন উদ্যোগ বাস্তবায়নে বাচ্চার দাম নির্ধারণ যেন বিতর্কমুক্ত হয়, সেজন্য প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের কাছে সেই দাবি করেছে ব্রয়লার মুরগির খামারিরা।
কিউটিভি/আয়শা/০১ অক্টোবর ২০২৩,/সন্ধ্যা ৭:৫৬






