
ডেস্ক নিউজ : শনিবার (১০ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৯৭৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। আগের নমুনা মিলিয়ে পরীক্ষা করা ১ হাজার ৯৭৮ জনের।
পরীক্ষায় নতুন করে আরও ১০৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৪০ হাজার ৩১৯ জনে। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৫ দশমিক ৪১ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ২১ শতাংশ।
এর আগে শুক্রবার (৯ জুন) ৯৪ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। তবে এ সময়ে কারও মৃত্যু হয়নি। গত ২৮ মার্চ দেশে করোনায় একজনের মৃত্যু হয়েছিল। এরপর গত ৬৬ দিন মৃত্যুশূন্য থাকার পর গত শুক্রবার (২ জুন) দুজনের মৃত্যুর খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদফতর। এরপর ৬ জুন আরও একজন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২৯ হাজার ৪৫১ জনে।
দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ে ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর একই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদফতর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের।পরবর্তী সময়ে করোনার ডেলটা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় গত বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছিল।
২০২১ সালের ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃত্যু ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এরমধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট সর্বোচ্চ ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়। এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃতের সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০-এর নিচে নেমে আসে। ডেলটার পর করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন আঘাত হানে।
কিউটিভি/আয়শা/১০ জুন ২০২৩,/সন্ধ্যা ৬:৩৫





