
লাইফস্টাইল ডেস্ক : নিজের গায়ের রং পরিবর্তন করা না গেলেও সঠিক নিয়মে পরিচর্যায় এ রং স্বাভাবিকের চেয়ে অনেকটাই উজ্জ্বল কিংবা ফরসা হয়ে ওঠে। আর উজ্জ্বল কিংবা ফরসা গায়ের রং করার একটি অন্যতম উপাদান হলো রূপচর্চায় চারকোল বা কার্বনের ব্যবহার। রূপচর্চায় কার্বন বা চারকোলের ব্যবহার নতুন নয়। ক্লিওপেট্রার যুগ থেকেই রূপচর্চায় ব্যবহার হয়ে আসছে কাঠকয়লা। তবে শুধু ত্বকই নয়; দাঁত, চুলের যত্নেও কাজে লাগে এই চারকোল।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, চারকোল ত্বক থেকে বলিরেখা সরিয়ে তারুণ্য ধরে রাখতে দারুণ কার্যকর। তবে যাদের খুব স্পর্শকাতর ত্বক, তাদের একটু সতর্কতার সঙ্গে এটি ব্যবহার করার পরামর্শ দেন স্কিন এক্সপার্টরা। পুরুষদের স্কিনের জন্য চারকোল খুবই ভালো। কারণ, সাধারণত নারীদের তুলনায় পুরুষরা নিজেদের ত্বকের খেয়াল কম রাখেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঠকয়লা স্কিনের পুরোনো জেল্লা ফেরাতে দারুণ কাজ করে।
এ ব্য়াপারে ব্যবহার করতে পারেন চারকোল শেভিং ক্রিম, চারকোল ফেসওয়াশ। সপ্তাহে একবার চারকোল ফেসপ্যাক ব্যবহার করলে স্কিন থাকবে একেবারে ঝকঝকে। সব নারীই কমবেশি রূপচর্চা করে থাকেন। নানারকম ক্রিম মাখেন, ব্যবহার করেন ফেসপ্যাকও। তবে রূপ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একাধিক ক্রিম ব্যবহার করা মোটেই ঠিক নয় ত্বকের জন্য। এতে ত্বক বুড়িয়ে যায় খুব তাড়াতাড়ি। এ ব্যাপারে চারকোল কিন্তু দারুণ কাজ দেয়।
রোজ রাতে ঘুমতে যাওয়ার আগে চারকোলমিশ্রিত ক্রিম ব্যবহার করুন। এতে ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো থাকার পাশাপাশি বলিরেখাও দূরে হবে। এর জন্য সপ্তাহে একবার চারকোল প্যাকও ব্যবহার করতে পারেন। চুলের ক্ষেত্রেও দারুণ কাজ করে চারকোল। চুল পড়া, অকালপক্বতা, খুশকির সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চারকোল শ্য়াম্পু ব্যবহার করুন। দোকানে ‘অ্যাকটিভেটেড চারকোল’ কিনতে পাওয়া যায়। তা নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের জমে থাকা ময়লা দূর হবে নিমেষেই। সেই সঙ্গে ত্বককে এক্সফলিয়েট করবে চারকোল।
এর জন্য ২ টেবিল চামচ চিনি, ১ চা-চামচ জলপাইয়ের তেল ও ১ চা-চামচ ‘অ্যাকটিভেটেড চারকোল’ গুঁড়ো একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিয়মিত ব্যবহার করুন আর আবিষ্কার করুন এর জাদুকরী গুণ।
সূত্র: বোল্ড স্কাই
কিউটিভি/আয়শা/০৬ মার্চ ২০২৩,/রাত ৮:১৪






