
ডেস্ক নিউজ : আজ ১৪৪৭ হিজরির ২৯ শাবান। আজ সন্ধ্যায় রমজানের চাঁদ দেখার উপদেশ দিয়েছেন নবীজি (সা.)। এমনকি সাহাবায়ে কেরামকে চাঁদ দেখতে বলতেন। চাঁদ দেখলে দোয়া পড়তে বলেছেন তিনি। আজ চাঁদ দেখা গেলে রাতেই তারাবিহ নামাজ পড়া হবে। শেষ রাতে খেতে হবে সেহরি।
রমজানের নতুন চাঁদ দেখলে নবীজি (সা.) কল্যাণ ও বরকতের দোয়া করতেন। যারা রহমতের মাস রমজানের নতুন চাঁদ দেখবেন; তারা বিশ্বনবি (সা.)-এর পড়া সেই দোয়াটি পড়বেন। যেখানে শান্তি ও নিরাপত্তার প্রার্থনা রয়েছে। হাদিসে এসেছে-
হজরত তালহা ইবনু ওবায়দুল্লাহ (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন নতুন চাঁদ দেখতেন তখন বলতেন—
اَللهُ اَكْبَرُ اَللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَ الْاِيْمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَ الْاِسْلَامِ وَ التَّوْفِيْقِ لِمَا تُحِبُّ وَ تَرْضَى رَبُّنَا وَ رَبُّكَ الله
উচ্চারণ: ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ইমানি ওয়াসসালামাতি ওয়াল ইসলামি ওয়াত্তাওফিকি লিমা তুহিব্বু ওয়া তারদা রাব্বুনা ওয়া রাব্বুকাল্লাহ।’
অর্থ: ‘আল্লাহ মহান, হে আল্লাহ! এ নতুন চাঁদকে আমাদের নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের সঙ্গে উদয় কর। আর তুমি যা ভালোবাস এবং যাতে তুমি সন্তুষ্ট হও, সেটাই আমাদের তাওফিক দাও। আল্লাহ তোমাদের এবং আমাদের প্রতিপালক।’ (তিরমিজি ৩৪৫১)
এ ছাড়াও রমজানের চাঁদ দেখার খবর শুনেই হৃদয়ের গভীর থেকে আল্লাহর কাছে মুমিনের আকুতিভরা প্রার্থনা হবে এমন-
اللَّهُمَّ سَلِّمْنِي لرمضان، وسلم رمضان لي، وتسلمه مني مُتَقَبَّلاً
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা সাল্লিমনি লিরমাদান, ওয়া সাল্লিম রামাদানা লি, ওয়া তাসলিমাহু মিন্নি মুতাক্বাব্বিলা।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে শান্তিময় রমজান দান করুন। রমজানকে আমার জন্য শান্তিময় করুন। জন্য রমজানকে শান্তিময় করে দিন। রমজানের শান্তিও আমার জন্য কবুল করুন। (তাবারানি)
চাঁদ দেখার এই দোয়ার প্রতিটি শব্দে লুকিয়ে আছে গভীর তাৎপর্য—নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের পথে অটল থাকার আবেদন। দিগন্তে ওঠা চাঁদের মতোই যেন আমাদের জীবনে উদিত হয় আল্লাহর সন্তুষ্টি ও ভালোবাসা। তাই প্রতিবার নতুন চাঁদ দেখা মানে নতুন করে আশা জাগানো, নতুন করে আল্লাহর দিকে ফিরে আসা, এবং তাঁর পছন্দনীয় পথে চলার তাওফিক কামনা করা। আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই দোয়ার মর্ম বুঝে তা জীবনে ধারণ করার তাওফিক দান করুন।
আয়শা/১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,/রাত ৮:০৫





