
স্পোর্টস ডেস্ক : মিরপুরে ইংলিশদের বিপক্ষে পাত্তা না পেলেও চট্টগ্রামে জ্বলে ওঠেছে বাংলাদেশ। তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে আগে ব্যাট করা বাংলাদেশ লড়াই করার পুঁজি পায় মূলত তিনজনের ব্যাটে। নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিমের অর্ধশতকের পর সাকিব খেলেছেন দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৫ রানের ইনিংস। তার এই ইনিংসেই শেষ পর্যন্ত আড়াইশ রানের কাছাকাছি স্কোর করে স্বাগতিকরা।
ব্যাট হাতে জ্বলে ওঠা সাকিব দাঁড়িয়ে ছিলেন দারুণ এক মাইলফলকের সামনে। ওয়ানডে ফরম্যাটে আগেই দেশের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির সিংহাসনে বসা সাকিব দাঁড়িয়ে ছিলেন ৩০০ উইকেটের মাইলফলকের সামনে। ২৯৬ উইকেট নিয়ে এই ম্যাচটি খেলতে নেমেছিলেন সাকিব। চট্টগ্রামের উইকেট ব্যাটারদের জন্য দিলখোলা হলেও সাকিবের তো জানা এ মাঠের নাড়িনক্ষত্র। তাই মাইলফলক ছুঁতে দেরি সইছিল না দেশসেরা অলরাউন্ডারের। ইংল্যান্ডের হয়ে অভিষিক্ত রেহান আহমেদকে ফিরিয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৩০০ উইকেট পূর্ণ করেন সাকিব।
মিরাজের হাতে রেহান ক্যাচ তুলে দিতেই উল্লাসে ভাসেন সাকিব। অবশ্য এদিন শুধু এই এক উইকেট নিয়েই সন্তুষ্ট থাকেননি সাকিব। আরও তিনটি উইকেট শিকার করেছেন তিনি। রেহানের আগে ফিরিয়েছেন জেসন রয়, ফিল সল্ট, জেমস ভিন্সকেও। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ওয়ানডে ক্রিকেটে ৩০০ উইকেট শিকারের মাইলফলক ছুঁলেন তিনি।
ম্যাচে ১০ ওভার বল করে ৩৫ রান দিয়ে ৪ উইকেট শিকার করে সাকিব এদিন আবির্ভূত ইংল্যান্ডের হন্তারকের ভূমিকায়। তার হাত ধরেই বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে ওয়ানডে জয় নিশ্চিত করল টাইগাররা। ২২৭ ওয়ানডের ২১৫ ইনিংসে বল করে ৩০০ উইকেটের মাইলফলক ছুঁয়েছেন সাকিব। ওয়ানডে ইতিহাসের নবম বোলার সাকিব যিনি ৩০০ বা অধিক উইকেট শিকার করেছেন। অলরাউন্ডার হিসেবেও সাকিব নাম লেখালেন ৬০০০ রান ও ৩০০ উইকেট শিকারি ক্লাবে। শহীদ আফ্রিদি ও সনাৎ জয়াসুরিয়ার পর তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে এই মাইলফলক ছুঁলেন বাংলাদেশের অলরাউন্ডার।
কিউটিভি/আয়শা/০৬ মার্চ ২০২৩,/রাত ৮:০০






