
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : স্থানীয় সময় শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) পেন্টাগনের সূত্রের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস। ইরানের ওপর সম্ভাব্য মার্কিন হামলা ও এর জেরে মার্কিন ঘাঁটিতে তেহরানের পাল্টা হামলার আশঙ্কায় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।
নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, কাতারের আল উদেইদ থেকে কয়েকশ সেনা সরিয়ে নেয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি এটি। এখানে প্রায় ১০ হাজার সেনা রয়েছে। এছাড়া বাহরাইন থেকেও সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে। সেখানে মার্কিন বাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের দফতর রয়েছে।
এই দুই দেশ ছাড়াও ইরাক, সিরিয়া, কুয়েত, সৌদি আরব, জর্ডান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে। ইরান ও আশপাশের অঞ্চলের দায়িত্বে নিয়োজিত মার্কিন সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি।
সামরিক আগ্রাসনের শিকার হলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা শত্রুদের ঘাঁটি ও অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। পরমাণু চুক্তি করতে ইরানকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সময় বেঁধে দেয়ার পর স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরসকে লেখা চিঠিতে এ পাল্টা হুমকি দেয় তেহরান।
খোরশেদ/২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,/দুপুর ১২:৫০






