
ডেস্ক নিউজ : টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী কাকে বলে?
টেকনোক্র্যাট (Technocrat) বলতে বুঝায় এমন ব্যক্তিকে যিনি রাজনীতিবিদ না হয়েও নির্দিষ্ট কোনো প্রযুক্তিগত, পেশাগত বা একাডেমিক দক্ষতার ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনা বা নীতিনির্ধারণে ভূমিকা রাখেন।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬ (২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রিসভার অনধিক এক-দশমাংশ সদস্যকে সংসদ সদস্য নন এমন ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নিয়োগ দিতে পারেন। তবে শর্ত থাকে যে, তাদের অবশ্যই সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে।
সাধারণত বিশেষজ্ঞ জ্ঞান বা বিশেষ অবদানের ভিত্তিতেই প্রধানমন্ত্রী এই নিয়োগ দিয়ে থাকেন। নিয়মানুযায়ী, জাতীয় নির্বাচনের আগে বা সংসদ ভেঙে যাওয়ার ৯০ দিন আগে এই টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের পদত্যাগ করতে হয়।
৪৯ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভায় ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী থাকছেন। এর মধ্যে টেকনোক্র্যাট কোটায় দুজন মন্ত্রী এবং একজন প্রতিমন্ত্রী রাখা হয়েছে।
আমিনুর রশীদ ইয়াছিন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হাজি আমিনুর রশীদ ইয়াছিন কুমিল্লা–৬ (সদর) আসনে ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। তবে এই আসনে দলের মনোনয়ন পান দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিলেও গত ১৯ জানুয়ারি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন তিনি।
ড. খুলিলুর রহমান
ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন ড. খলিলুর রহমান।
ড. খলিলুর রহমান ১৯৭৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন করেন। তিনি ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পররাষ্ট্র) ক্যাডারে যোগ দেন। যুক্তরাষ্ট্রের টাফটস ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন ও কূটনীতিতে এমএ এবং অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন ড. খলিলুর রহমান।
জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক। তিনি ঢাকা-১৬ আসন থেকে জাতীয় নির্বাচন করেছিলেন। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জামায়াত ইসলামের প্রার্থী কর্নেল (অব) আব্দুল বাতেনের কাছে হেরে যান। কোনো সাবেক ক্রীড়াবিদ নির্বাচনে পরাজিত হয়ে কিংবা টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী কখনো হননি। আমিনুল হকই প্রথম।
খোরশেদ/১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,/বিকাল ৪:১৫






