ব্রেকিং নিউজ
শহীদ জিয়ার আদর্শ ধারণ করেই দেশকে এগিয়ে নিতে হবে: গয়েশ্বর জিয়াউর রহমানের প্রথম সমাধিতে নেতাকর্মীদের ঢল এখনও অনিশ্চিত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তিচুক্তি ট্রাম্পকে পাত্তা দিচ্ছে না মার্কিন মিত্ররা, সাড়া দেয়নি কোনো দেশ ছাত্র-গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অভিষেককে ‘চোর চোর’ স্লোগান, শার্ট ছিঁড়ে ডিম-জুতা নিক্ষেপ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে: রাষ্ট্রপতি ৪১৯ হজযাত্রী নিয়ে দেশে পৌঁছেছে হজের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শহীদ জিয়ার বিখ্যাত বেতার ভাষণ জনগণকে উদ্দীপ্ত করেছিল: ভারতীয় হাইকমিশন জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, অভিযুক্ত নরসিংদী ডিসি অফিসের সহকারী নাজির

Ayesha Siddika | আপডেট: ২৪ জুন ২০২৫ - ০৬:৫৭:২৮ পিএম

মোঃ সালাহউদ্দিন আহমেদ নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি : নরসিংদী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী নাজির ইকরাম হোসেন (৪২)-এর বিরুদ্ধে এক নারীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়, প্রেম ও বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাকে মাধবদীর একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ করেন তিনি।

ভুক্তভোগী নারী জানান, তিনি প্যারালাইসিস আক্রান্ত মুক্তিযোদ্ধা পিতার জন্য হুইল চেয়ারের আবেদন করেছিলেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে। সেখান থেকে পাওয়া মোবাইল নম্বরে ফোন করে সহায়তার আশ্বাস দেন সহকারী নাজির ইকরাম হোসেন। এরপর ফোনালাপের মাধ্যমে ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে এবং এক পর্যায়ে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্ক এগিয়ে নেন তিনি।

ওই সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে ইকরাম হোসেন ভুক্তভোগীর কাছ থেকে দুই লাখ টাকা ধার নেন এবং একাধিকবার বিভিন্ন জেলায় ভ্রমণে নিয়ে যান। পরবর্তীতে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে গত ৯ মার্চ সন্ধ্যায় তাকে মাধবদী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন গাজী আবাসিক হোটেলে নিয়ে যান। সেখানে কাজী এসে বিয়ে পড়াবেন বলে জানিয়ে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার মাঝেই কক্ষে একাধিকবার ধর্ষণ করেন ইকরাম।

১০ মার্চ সকাল পর্যন্ত হোটেল কক্ষে অবস্থান করে দফায় দফায় ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় ওই নারীর গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ছিঁড়ে গেলে তা মেরামতের কথা বলে নিয়ে নেন তিনি। পরে বিয়ের জন্য চাপ দিলে ইকরাম হোসেন চাকরির সীমাবদ্ধতা দেখিয়ে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে গত ১৬ জুন তিনি স্পষ্টভাবে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান এবং ধার নেওয়া টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান।

ভুক্তভোগী বিষয়টি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিহাব সারার অভিকে মৌখিকভাবে জানান, কিন্তু কোনো সাড়া না পেয়ে থানায় গেলে আদালতে অভিযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরে তিনি ২৩ জুন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন।

আদালতের বিচারক মোঃ আলী আহসান অভিযোগটি আমলে নিয়ে মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) এফআইআর করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। মাধবদী থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “আদালতের নির্দেশ এখনও হাতে পাইনি। আদেশ পেলেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অভিযুক্ত ইকরাম হোসেন নরসিংদী পৌর এলাকার পূর্ব ভেলানগরের বাসিন্দা এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহকারী নাজির হিসেবে কর্মরত। বর্তমানে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ রয়েছে।

 

 

কিউটিভি/আয়শা/২৪ জুন ২০২৫, /সন্ধ্যা ৬:৫২

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

▎সর্বশেষ

ad