তরল দুধ কতবার গরম করা নিরাপদ?

Ayesha Siddika | আপডেট: ০৫ অক্টোবর ২০২৩ - ০৬:৪১:০৫ পিএম

লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : দুধ ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়ামের গুরুত্বপূর্ণ উৎস। এ ছাড়াও এতে রয়েছে পটাশিয়াম, জিংক, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, চর্বি, ওমেগা ৩ ও ৬, ভিটামিন বি ১২, খনিজ, ফসফরাস, রিবোফ্লভিন ইত্যাদি।অনেকেই দুধ সহজে হজম করতে পারেন না। তাই অনেকে গরম দুধের পরিবর্তে ঠান্ডা দুধ খেতে পছন্দ করেন। আবার কেউ ঘন দুধ খেতে ভালোবাসায় তরল দুধকে বারবার চুলায় গরম করতে শুরু করেন দীর্ঘ সময়ের জন্য। এ অভ্যাস কতটা স্বাস্থ্যকর জানেন কী?

পুষ্টিবিদরা বলছেন, তরল দুধে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া যেমন থাকে, তেমনি থাকে ভালো ব্যাকটেরিয়াও। ভালো ব্যাকটেরিয়াগুলোকে সুরক্ষিত রেখে আপনি যদি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে চান তবে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস কিংবা চুলার মাঝারি আঁচে দুধ গরম করুন। এ তাপমাত্রায় ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলো মরে যায়। কিন্তু ভালো ব্যাকটেরিয়াগুলো বেঁচে থাকতে পারে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন থেকে আরও জানা যায়, পুষ্টিবিদরা আরও বলছেন, দুধে থাকা ক্যালসিয়াম, প্রোটিন বিশেষ করে ভিটামিন সি ও ডি-কে সুরক্ষিত রাখতে তরল দুধ একবারের বেশি গরম করা যাবে না। কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাতাসে থাকা ধুলোবালি ও ফাঙাসের কথা। তরল দুধ গরম করার পর যতক্ষণ আপনি তা রেখে দেবেন তত দুধে তৈরি হতে শুরু করবে ফাঙাস।
 
বারবার দুধ চুলায় গরম করার কারণেও দুধে এ ফাঙাসের পরিমাণ বাড়তে শুরু করে যা দুধকে করে তোলে ঘন ও পুষ্টিহীন। তাই তরল দুধ গরম করার পর তা রেখে দেবেন না। চেষ্টা করুন, তরল দুধ একবার চুলায় গরম করেই কুসুম গরম অবস্থায় তা দ্রুত খেয়ে ফেলার। এতে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙাসহীন নিরাপদ দুধ খেতে পারবেন। দুধ খাওয়ার এ সঠিক নিয়ম মেনে চলুন। চুলায় প্রথমবার মাঝারি আঁচে তরল দুধ একবার গরম করার সঙ্গে সঙ্গে তা পরিবারের সদস্যদের খেতে দিন।

পেটের গোলযোগ এড়াতে সকালেই দুধ খেয়ে ফেলার অভ্যাস করতে পারেন। এতে করে সারাদিনে দুধ শরীরে হজম হওয়ার সুযোগ পাবে। চিকিৎসকরা বলছেন, সকালে শরীরে হজম শক্তি বেশি থাকে। তাই ওই সময়ই দুধ খাওয়া বেশি কার্যকরী হয়ে ওঠে শরীরের জন্য। 

 

 

কিউটিভি/আয়শা/০৫ অক্টোবর ২০২৩,/সন্ধ্যা ৬:৪০

▎সর্বশেষ

ad